World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বড় জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল মেসির আর্জেন্টিনা

বড় জয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল মেসির আর্জেন্টিনা

ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর শুরুর আর ৪৮ ঘণ্টাও বাকি নেই। ঠিক সেই সময়ে নিজেদের শেষ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ দিয়ে ভালোভাবেই প্রস্তুতি সেরেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। যেখানে লিওনেল মেসির জন্য বিষয়টা দাঁড়িয়েছে এমন– এলাম, গোল করলাম এবং বড় জয় নিশ্চিত করলাম। আলবিসেলেস্তেরাও কাতার বিশ্বকাপের পর প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে আইসল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে ৩-০ ব্যবধানে জিতল।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার জর্ডান-হারে স্টেডিয়াম আজ (বুধবার) সকালে মাঠে নেমে লিওনেল স্কালোনির দল সবদিক থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে। ৬৩ শতাংশ পজেশন আর ১৫টি শট নিয়ে ৭টি লক্ষ্যে রাখতে পারে আর্জেন্টিনা। বিপরীতে আইসল্যান্ডের ৬ শটের স্রেফ একটি লক্ষ্যে ছিল। পেনাল্টিতে মেসির গোল ছাড়া আর্জেন্টিনার হয়ে স্কোরশিটে নাম তোলেন ভ্যালেন্টিন বার্কো ও থিয়াগো আলমাদা।

ইন্টার মায়ামি থেকে চোট নিয়ে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেওয়া মেসিকে বিশ্বকাপের শুরু থেকে পাওয়া নিয়ে প্রথমে অনিশ্চয়তা ছিল। যা তিনি দ্রুতই কাটিয়েছেন। তবে মাঠে নামার সময়টা নিশ্চিত করে বলতে পারছিলেন না স্কালোনিও। আজ বদলি নামেন ৬৯ মিনিটে। পিচে আসার খানিক বাদেই রক্ষণচেরা পাস বাড়ান মেসি, যা ধরে লাউতারো মার্টিনেজ গোলের দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। কিন্তু চিপ করার আগমুহূর্তে আইল্যান্ড গোলরক্ষক ফাউল করেন তাকে। পেনাল্টির স্পট কিকে ভুল করলেন না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। দুই মিনিটের ব্যবধানেই মেসি স্পটলাইটে।

এর আগে খেলার শুরুতে আইসল্যান্ড ভালো সুযোগ তৈরি করলেও সেটিকে গোলে পরিণত করতে পারেনি। তবে নিয়ন্ত্রণটা আর্জেন্টিনার হাতে ছিল। দলগত অবদানেই বিশ্বকাপের অন্যতম শীর্ষ ফেভারিটরা লিড নেয় ৮ মিনিটে। হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ ফাউলের শিকার হলে, বক্সের সামনে থেকে জিওভান্নি লো সেলসোর ফ্রি-কিক ফাকুন্দো মেদিনা পান। তার ক্রস কয়েকজন ঘুরে বার্কোর সামনে এলে, জটলার মাঝ দিয়ে তিনি জোরালো শটে সেটি জালে জড়ান। জাতীয় দলে এটি তার দ্বিতীয় গোল।

বিরতির আগপর্যন্ত আর্জেন্টিনা আক্রমণ চালিয়ে যায়। আইসল্যান্ড কিছু পাল্টা আক্রমণ করলেও, সেসব ঠিক কার্যকরী ছিল না। স্কালোনির শিষ্যরা একই ধারায় আধিপত্য দেখায় দ্বিতীয়ার্ধেও। যদিও লাউতারো মার্টিনেজ কয়েকটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। এরপর ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মেসি মাঠে নামেন জিউলিয়ানো সিমিউনের বদলি হিসেবে। পেনাল্টিতে গোল করে এর পরের সময়টাকে পরিণত করেন একান্ত নিজের মুহূর্তে।

৮৬ মিনিটে দলের তৃতীয় গোল ও আইসল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকেন আলমাদা। মেসির বাড়ানো পাস ধরে ডি-বক্সে বাড়ান রদ্রিগো ডি পল, এরপর আলমাদা আলতো ছোঁয়ায় কার্যকর ফিনিশিং দেন। ১৭ জুন বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নামার আগে আর্জেন্টিনা নিশ্চিত করল ৩-০ ব্যবধানে জয়।

এএইচএস