ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো গত সপ্তাহে একটি জনমত জরিপের ফল প্রকাশ করেছিল। যেখানে দেশটির ফুটবলভক্তরা শুরুর একাদশ নির্বাচন করেন। তাদের বিচারে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ব্রাজিলের একাদশে থাকার কথা এন্ড্রিক ফেলিপে’র। তারচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন কেবল ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ব্রুনো গুইমারেস। অথচ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে এন্ড্রিককে বদলি হিসেবেও নামাননি ব্রাজিল কোচ।
নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আজ (রোববার) বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ব্রাজিল-মরক্কো। যেখানে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মাত্র ২১ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে মরক্কোর অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবারির গোলে। ১১ মিনিটের ব্যবধানে দুর্দান্ত এক গোলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হয় ১-১ সমতায়।
বিশ্বকাপের আগের ব্রাজিলের সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচে বদলি নেমে গোল করেছিলেন এন্ড্রিক। সেই গোলে সমতা ভেঙে সেলেসাওরা জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। সবমিলিয়ে ১৭ ম্যাচে ৫ গোলে (৪ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট) অবদান রেখেছেন। এ ছাড়া ফরাসি ক্লাবের জার্সিতেও সর্বশেষ মৌসুমে বেশ ফর্মে ছিলেন ১৯ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। ফলে মরক্কো ম্যাচে অন্তত বদলি হিসেবে তাকে দেখার আশা ছিল ভক্তদের।
সে হিসেবে মরক্কো ম্যাচ শেষে যথারীতি এন্ড্রিককে নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন আনচেলত্তি। জবাব দিতে গিয়ে কিছুটা প্রসঙ্গ বদলেছেন ব্রাজিল কোচ, ‘আমি সুনির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড় নিয়ে কথা বলব না। আমি দলগত বিষয়ে কথা বলব। প্রথমার্ধে দল ভালো খেলেনি, দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ভালো ছিল পারফরম্যান্স। তখন আমাদের কিছু সুযোগ তৈরি হয়। তবে আমাদের আরও উন্নতি প্রয়োজন।’

আনচেলত্তির শুরুর একাদশ নিয়ে সমালোচনা করেছেন ব্রাজিলের সাবেক মিডফিল্ডার ফেলিপে মেলো। এক টকশোয় তিনি বলেন, ‘আনচেলত্তি ইতিহাসের অন্যতম সেরা কোচ, তবে এটি তাকে পাস করাবে না। তিনি ভুল একাদশ নিয়ে শুরু করেছেন। (ডিফেন্ডার রজার) ইবানেজ শুরুর একাদশে থাকতে পারে না। আরও ভালো কাউকে দরকার ছিল। সেও ভালো, তবে শুরুর জন্য নয়। ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ভালো লাগেনি। পরে কিছু বদলি খেলোয়াড় দিয়ে পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা হয়েছে। তবে এটি সমালোচনার জায়গা নয়।’
এএইচএস

