শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।
নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।
অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে। গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।
প্রথমার্ধে ফ্রান্সের পায়ে বল ছিল ৫৬ শতাংশ আর সেনেগালের ৪৪ শতাংশ। পাসিংয়েও ফ্রান্স ছিল বেশ এগিয়ে। তারা ৩২৩টি পাস খেলেছে, যেখানে সেনেগালের পাস ছিল ২৫৩টি। ফ্রান্স শুরু থেকেই বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে বেশি পাস খেলে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। কিন্তু সেনেগালের ডিবক্সের আশেপাশে তারা সুবিধা করতে পারেনি।
এই সময়ে ফ্রান্সের এক্সপেক্টেড গোলের হার ছিল মাত্র ০.০২, বিপরীতে সেনেগালের ছিল ০.৪৪। মানে সেনেগালের আক্রমণগুলোর গোল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি ছিল। সেনেগাল দুটি বড় সুযোগ তৈরি করলেও ফ্রান্স একটিও পায়নি। সেনেগাল মোট ৫টি শট নিয়েছে, যার মধ্যে সাদিও মানের একটি দুর্দান্ত শট সেভ হয়েছে। বিপরীতে ফ্রান্স পুরো ম্যাচে মাত্র একটি শট নিতে পেরেছে।
ফ্রান্সের গোলকিপার মাইক মাইগনন একটি দুর্দান্ত সেভ করে সেনেগালকে থামিয়ে দেয়। অন্যদিকে ফ্রান্সের আক্রমণভাগ সেনেগালের গোলকিপার মেন্দির কোনো পরীক্ষা নিতে পারেনি।
ফ্রান্সের কাউন্টার অ্যাটাক থামাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, তাদের ১০টি ট্যাকল করতে হয়েছে। এবং সেনেগাল করেছে ৮টি।
এফএইচএম

