সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করে হয়েছেন ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা, দেশের হয়ে বিশ্বকাপেও সর্বোচ্চ গোলের মালিক এখন কিলিয়ান এমবাপে। আর দুটি গোল করলে বিশ্বমঞ্চে সর্বোচ্চ গোলের কীর্তিতে জার্মান লিজেন্ড মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে বসবেন ফ্রান্সের ২৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। এদিন সেনেগালকে প্রথম গোল দিয়ে আরেকটি অভিজাত ক্লাবে নাম লিখেছেন তিনি।
সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-১ গোলের জয়ে দুটি গোল করে এই স্ট্রাইকার বিশেষ খেলোয়াড়দের দলে যোগ দিয়েছেন, যারা বিশ্বকাপের অন্তত তিনটি ভিন্ন আসরে গোল করেছেন। এমবাপে ২০১৮ বিশ্বকাপে চারটি গোল করেছিলেন। ওইবার তিনি ফ্রান্সের হয়ে শিরোপা জেতেন এবং ২০২২ সালের আসরে আটটি গোল করে জেতেন গোল্ডেন বুট। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালে তিনটি গোল করেন।
এই মঙ্গলবারের দুটি গোলের মাধ্যমে তিনি টুর্নামেন্টে ১৪টি গোলের কীর্তি গড়ার পথে পেলে (১২) ও মেসিকে (১৩) ছাড়িয়ে যান। এখন তিনি ১৫ গোল করা রোনালদোর থেকে মাত্র একটি গোল এবং বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৬ গোল করা) জার্মান ক্লোসার থেকে দুটি গোল দূরে আছেন।
১৭তম খেলোয়াড় হিসেবে অন্তত তিনটি বিশ্বকাপে গোলের কীর্তি গড়লেন এমবাপে। এই তালিকায় আটটি জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা রয়েছেন এবং এতে তিনজন ব্রাজিলিয়ান আছেন: পেলে, রোনালদো ও নেইমার। মিশেল প্লাতিনির পর এমবাপে ফ্রান্সের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই সাফল্য পেলেন।
সবচেয়ে বেশি পাঁচটি বিশ্বকাপে পর্তুগাল তারকা রোনালদো গোল করেছেন। ব্রাজিলের পেলে, পশ্চিম জার্মানির উভে সিলার, ক্লোসা ও মেসি চারটি ভিন্ন আসরে গোলের দেখা পেয়েছেন। এমবাপে যোগ দিয়েছেন প্লাতিনি, স্পেনের রাউল, জার্মানির লোথার ম্যাথাউস, উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজ, ব্রাজিলের নেইমার, আর্জেন্টিনার ম্যারাডোনা, ইতালির রবার্তো বাজিও, স্পেনের ডেভিড ভিয়া, পোল্যান্ডের গ্রেগর্জ লাতো, আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা, জার্মানির ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সঙ্গে।
এফএইচএম

