বিজ্ঞাপন

৭ রানে হারল বাংলাদেশ, সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

৭ রানে হারল বাংলাদেশ, সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩৪ রান। নাথান এলিসের করা ১৯তম ওভার থেকে বাংলাদেশ তুলতে পারে কেবল ১১ রান। ফলে শেষ ৬ বলে জয়ের সমীকরণ দাঁড়ায় ২৩ রানে। অ্যারন হার্ডির ওভারে দুই বাউন্ডারিতে ১৫ রান করলেও সমীকরণ মেলাতে পারেননি হৃদয়-সাকলাইন। ৭ রানের হারে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ খুইয়েছে স্বাগতিকরা।

চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন রেনশো। জবাবে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে বাংলাদেশ।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই প্রান্ত থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। দারুণ শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি তামিম। ম্যাট রেনশোকে ফিরতি ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৫ বলে ৩০ রান করেন এই ওপেনার। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

তিনে নেমে দ্রুতই ফেরেন সৌম্য সরকার। এই টপ অর্ডার ব্যাটার ৯ বলে করেন ১৫ রান। তবে পারভেজ হোসেন ইমনকে সঙ্গে নিয়ে আবারো দারুণ জুটি গড়েন সাইফ। ২২ বলে  ৩৬ রান করে ইমন ফিরলে পথ হারায় বাংলাদেশ। পরের ওভারেই ফেরেন ৪২ রান করা সাইফও।

লোয়ার মিডল অর্ডারে পুরোপুরি ব্যর্থ শামিম হোসাইন-আব্দুক গাফফার সাকলাইনরা। তাতে আর সমীকরণ মেলাতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষদিকে তাওহিদ হৃদয় চেষ্টা করেছেন। তবে তার ৩৫ রানের ইনিংস কেবলই হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

Parvez Hossain Emon put Australia under pressure, Bangladesh vs Australia, 2nd T20I, Chattogram, June 19, 2026

এর আগে গত ম্যাচের মতো আজও আক্রমণাত্মক শুরু করতে চেয়েছিলেন জশ ইংলিস। তবে এবার তাকে বেশিদূর এগোতে দেননি নাসুম আহমেদ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে এই ওপেনারকে ফিরিয়েছেন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ৬ বলে ১১ রান করেছেন ইংলিস।

পরের ওভারেই দলকে ব্রেকথ্রু দেন নাহিদ রানা। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের ৩৯৬ দিন পর মাঠে নেমেই উইকেটের দেখা পান এই প্রিমিয়াম পেসার। ১ রান করা কপার কলোনি স্লিপে সাইফ হাসানের দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে ফিরেছেন। পরপর দুই ওভারে উইকেট হারানোয় দেখে-শুনে খেলছিলেন মিচেল মার্শ। তবে ১৯ বলে ২০ রানের বেশি করতে পারেননি।

৪৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন রেনশো ও ডেভিড। দুজনের ৯৭ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় অজিরা। ৪৫ রান করা ডেভিডকে ফিরিয়ে জমে ওঠা এই জুটি ভেঙেছেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তবে রেনশো অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করে এসেছেন। তাতে বড় সংগ্রহই পেয়েছে অজিরা।

বাংলাদেশের হয়ে ২৭ রানে ২ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার নাসুম। এ ছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন রানা, সাকলাইন ও মুস্তাফিজ।

এইচজেএস