মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচের রেফারি স্লাভকো ভিনচিচকে নিয়ে বিতর্ক উঠেছিল। দেহ ব্যবসা, মাদক পাচার ও বেআইন অস্ত্র ব্যবসার অভিযোগে একসময় পুলিশের কাছে আটক হয়েছিলেন তিনি। এবার হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের আগেও রেফারিকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ম্যাচে দায়িত্বে থাকবেন রেফারি আলেজান্দ্রো হার্নান্দেজ হার্নান্দেজ, যিনি আবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা রোমারিওর ভক্ত। আবেগের বশে আবার যেন তিনি পক্ষপাতিত্ব না করে বসেন, সেই ভয় প্রতিপক্ষ শিবিরে!
বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই আটকে গিয়েছে ব্রাজিল। ১-১ গোলে ড্র করেছে মরক্কোর সঙ্গে। হাইতির বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের পথে ফেরাই লক্ষ্য পাঁচবারের বিশ্বসেরাদের। এমন ম্যাচে রোমারিও-ভক্ত রেফারিকে কেন দায়িত্ব দেওয়া হলো, সেই প্রশ্ন অনেক ভক্ত-সমর্থকের। আলেজান্দ্রোর সহকারী হিসেবে থাকবেন স্পেনেরই জোসে এনরিক নারাঞ্জো ও দিয়েগো স্যাঞ্চেজ।
চতুর্থ ও পঞ্চম রেফারি যথাক্রমে সুইজারল্যান্ডের স্যান্দ্রো স্কায়েরের ও স্টেফান ডি আলমেইদা। ভিএআর রুমে কারা থাকবেন, তা এখনও জানানো হয়নি। তবে এদের মধ্যে বিতর্ক প্রধান রেফারি আলেজান্দ্রোকে নিয়েই। এর আগে এবারের আসরে স্কটল্যান্ড বনাম হাইতি ম্যাচে চতুর্থ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ক্যানারি আইল্যান্ডের এই রেফারি বার্সেলোনার ভক্ত। আর প্রিয় ফুটবলার হিসেবে উল্লেখ করেছেন ব্রাজিলিয়ান গ্রেট রোমারিওর নাম। ফলে রোমারিওর দেশের ম্যাচে তাকে দায়িত্ব দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে ফিফার সিদ্ধান্ত নিয়ে।
রোমারিও নিয়ে নিজের অনুরাগের কথা আলেজান্দ্রো জানিয়েছিলেন বহু আগে। ১৯৯৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে, যখন তার বয়স ১১। এমনিতেই ক্যানারি আইল্যান্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে বার্সার প্রভাব একটু বেশিই। সেই দিক থেকে তৎকালীন বার্সা দলের প্রধান তারকা রোমারিওর কথা বলেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি রেফারি হওয়ার পর সেই মন্তব্য নিয়ে একাধিকবার বিতর্ক হয়েছে। স্পেনের ক্লাব ফুটবলে তাকে ম্যাচ দেওয়া নিয়ে বারবার সরবও হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এবার তাকে নিয়ে বিতর্ক শুরু বিশ্বকাপেও।
এফএইচএম

