World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

ফিলাডেলফিয়ার সবুজ গালিচায় নজর কাড়লেন ‘সার্ফার’ কুনহা

ফিলাডেলফিয়ার সবুজ গালিচায় নজর কাড়লেন ‘সার্ফার’ কুনহা

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে প্রথমবার শুরুর একাদশে খেলার সুযোগ পেয়েই মুহূর্তটি দারুণভাবে কাজে লাগালেন ম্যাথিউস কুনহা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই স্ট্রাইকার হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে দুটি গোল করেন এবং উদযাপন দিয়ে সবার নজর কাড়েন। সার্ফবোর্ডে সার্ফিং করার ভঙ্গিতে গোল উদযাপন করতে দেখা গেছে তাকে।

খুব বেশি মানুষের সম্ভবত জানা নেই যে, এই ভঙ্গির উৎস এসেছে ফুটবলের গণ্ডি ছাড়িয়ে যাওয়া একটি আবেগ থেকে। মাঠের বাইরে কুনিয়ার সার্ফিংয়ের সাথে একটি ভালো সংযোগ রয়েছে। এই খেলা শখ হিসেবে শুরু হলেও ধীরে ধীরে তার অবসরের রুটিনে জায়গা করে নিয়েছে। এমনকি ব্রাজিলিয়ান সার্ফিংয়ের ইতিহাসের অন্যতম সেরা নাম ইতালো ফেরেরার সাথেও এই খেলোয়াড়ের দারুণ বন্ধুত্ব রয়েছে।

কুনহা একবার বলেছিলেন যে, রিও গ্রান্দে দো নর্তে সফরের সময় তিনি প্রথম সার্ফিংয়ের সংস্পর্শে আসেন। সেখানে তিনি স্থানীয় সার্ফারদের সাথে পরিচিত হন এবং ইতালোর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। এই অভিজ্ঞতা তার মাঝে এমন এক আবেগ জাগিয়ে তোলে যা দ্রুত একটি অভ্যাসে পরিণত হয় এবং ইংল্যান্ডে যাওয়ার পরও তার দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হিসেবে থেকে যায়।

ইউরোপে বসবাস করার পরও কীভাবে তিনি এই সার্ফিংয়ের অভ্যাস বজায় রাখেন, সেটিও তিনি ব্যাখ্যা করেছেন—ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে আর্টিফিশিয়াল ওয়েভ স্ট্রাকচার সার্ফিং করার জন্য তিনি তার ছুটির সময়কে কাজে লাগান।

তিনি বলেন, ‘সার্ফিং আমার জীবনে এসেছিল অবসর ও বিনোদনের একটি মুহূর্তে। আমি রিও গ্রান্দে দো নর্তের বাইয়া ফর্মোসায় কয়েক দিনের ছুটিতে ছিলাম এবং সেখানে কিছু সার্ফারের সাথে দেখা করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখন থেকেই এই খেলার প্রতি আমার আগ্রহ জন্মায় এবং যখনই অবসর সময় পাই, এটি অনুশীলন করার চেষ্টা করি।’

ফিলাডেলফিয়াতে তো ইতালোকে উদ্দেশ্য করেই উদযাপন করলেন। তার এই বন্ধুও সাড়া দিয়েছেন। কুনহাকে তার কাছে ঋণী থাকা উচিত মনে করিয়ে তিনি বলেছেন, ‘তার কাছে আমার একটি সার্ফবোর্ড পাওনা থাকল।’

এফএইচএম