বাংলাদেশের মাটিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের শেষ ম্যাচেও ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিয়ে টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ করেছে সফরকারীরা। এমন জয়ের পর দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন পেসার স্পেনসার জনসন।
নিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং দলের সাফল্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জনসন কৃতিত্ব ভাগ করে দিয়েছেন পুরো দলকে। তিনি বলেন, ‘দলের জয়ে অবদান রাখতে পারলে সবসময়ই ভালো লাগে। তবে শুধু আমি নই, আগের ম্যাচগুলোতে যারা দলকে সিরিজ জিততে সাহায্য করেছে, তাদেরও সমান অবদান রয়েছে। আমারও খারাপ সময় গেছে, সবসময় ভালো করতে পারিনি। চেষ্টা করেছি সেখান থেকে ফিরে এসে আরও ভালো করার।’
ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হারের পর টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয়ের অনুভূতিও তুলে ধরেন এই বাঁহাতি পেসার। জনসনের মতে, বাংলাদেশের কন্ডিশনে খেলা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং।
তিনি বলেন, ‘এখানে এসে খেলা সহজ নয়। উইকেটের আচরণ যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে। ওয়ানডে সিরিজে আমরা সেটা দেখেছি, টি-টোয়েন্টিতেও দেখলাম। তাই এমন কন্ডিশনে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারাটা অবশ্যই আনন্দের এবং আমরা এ নিয়ে খুবই খুশি।’
টি-টোয়েন্টি সিরিজে নতুন মুখদের পারফরম্যান্সও মুগ্ধ করেছে জনসনকে। তিনি বলেন, ‘ওয়ানডে সিরিজের অনেকেই এই টি-টোয়েন্টি দলে ছিল না। জোয়েল ডেভিস, নিখিল চৌধুরীদের মতো কয়েকজনের অভিষেক হয়েছে। তারা খুব দ্রুত দলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে এবং পারফর্মও করেছে। নতুন কেউ দলে এসে অবদান রাখলে সেটা সবসময়ই দারুণ ব্যাপার।’
চট্টগ্রামের উইকেট নিয়েও কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ান এই পেসার। তার মতে, উইকেট আগের ম্যাচগুলোর মতোই ছিল। তবে বাংলাদেশের দ্রুত অলআউট হওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং ইউনিট। তিনি বলেন, ‘উইকেট আগের ম্যাচের মতোই মনে হয়েছে। যদিও আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই। আমরা আগে ব্যাট করলে হয়তো প্রথম দুই ম্যাচের মতোই একটি ভালো সংগ্রহ গড়তে পারতাম। তবে বাংলাদেশের ব্যাটিং দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে।’
নিজেদের বোলিং আক্রমণের প্রশংসা করতে গিয়ে জনসন বিশেষভাবে উল্লেখ করেন অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান এলিসের নাম। তার ভাষায়, ‘আমাদের দলে বিশ্বের সেরা লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা আছে। আর নাথান এলিসও সাদা বলের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দারুণ করছে। এই দুজন আমাদের বোলিং আক্রমণের বড় শক্তি। তাদের কারণেই আমরা ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিং করতে পারছি।’
এসএইচ/এইচজেএস
