World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বিলিয়ন ডলারের বিশ্বকাপে মিডিয়ার জন্য বরাদ্দ শুধু পানি!

বিলিয়ন ডলারের বিশ্বকাপে মিডিয়ার জন্য বরাদ্দ শুধু পানি!

বিশ্বকাপ মানে খবরের মহাসমুদ্র। তাই বিশ্বকাপ কাভার করতে আসা সাংবাদিকরাও নানান দিকে খবরের খোঁজে ছোটাছুটি করেন। শেষমেশ মিডিয়া সেন্টারে বসে সেই সংবাদ প্রস্তুত করেন। আবার অনেক সময় মিডিয়া সেন্টারে বসে নতুন সংবাদের খোঁজ পেলে ছুটে যান। 

বিশ্বকাপ কিংবা গেমসে টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক দিন আগে থেকে চালু হয় মিডিয়া সেন্টার। প্রায় ২৪ ঘণ্টা টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত খোলা থাকে। এবারের বিশ্বকাপে অবশ্য ঘটনা ব্যতিক্রম।

যে ভেন্যুতে যেদিন খেলা সেদিন এবং এর আগের দিনই শুধু মিডিয়া সেন্টার খোলা। ঐ দুই দিন ব্যতীত স্টেডিয়ামে সাংবাদিক প্রবেশের সুযোগ নেই। স্টেডিয়ামের গেটে সাংবাদিকদের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন স্ক্যান করলেই লাল রংয়ের লেখা উঠে,‘মিডিয়া সেন্টার ক্লোজ’। 

বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট কাভার দুই ফরম্যাটে করে থাকেন সাংবাদিকরা। সাধারণত যে সকল দেশ অংশগ্রহণ করে সেই দেশের সাংবাদিকরা নিজ দেশ ফলো করেন। তাদের দল যে শহরে যায়, সেই শহরে তারাও যান।

মিডিয়া সেন্টারে সংবাদকর্মীদের জন্য পানি ছাড়া তেমন সৌজন্যমূলক আর কোনো খাবার দেওয়া হয় না। মিডিয়া ক্যাফের ব্যবস্থা থাকলেও সেখানে দাম খানিকটা বেশি।

অংশগ্রহণকারী নয় এমন দেশের সাংবাদিকরা ভেন্যু ভিত্তিক কাভার করেন। ঐ সাংবাদিকদের মূলত প্রতিদিনই স্টেডিয়াম গিয়ে খবরাখবর সংগ্রহ ও লেখার অভ্যাস। এবার ভিন্ন নিয়মের কারণে ভিন্ন অভিজ্ঞতা হচ্ছে অনেকেরই। 

বিলিয়ন ডলারের বিশ্বকাপে দায়িত্বরত সংবাদকর্মীদের জন্য মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের পানি ছাড়া তেমন সৌজন্যমূলক আর কোনো খাবার নেই। অবশ্য মিডিয়া ক্যাফে রয়েছে প্রতি স্টেডিয়ামেই। সেখানে দামও খানিকটা বেশি।

একেক স্টেডিয়ামে প্রেস কনফারেন্সের সিস্টেমও ভিন্ন। বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ভেন্যু নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে প্রেস কনফারেন্স কক্ষ মিডিয়া সেন্টারের মধ্যেই। খেলা শেষের পর কোচ, খেলোয়াড়কে হেঁটে কিংবা ছোট শাটলে আসতে হয়। ফিলাডেলফিয়ায় অবশ্য প্রেস কনফারেন্স রুম আলাদা। স্টেডিয়ামের মধ্যে থাকায় কোচ কিংবা খেলোয়াড়কে বাইরে যেতে হয় না। 

এজেড/এফআই