World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপে নেইমারের প্রত্যাবর্তনে ৬১ শতাংশ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া

বিশ্বকাপে নেইমারের প্রত্যাবর্তনে ৬১ শতাংশ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া

ব্রাজিলের জার্সিতে বিশ্বকাপে নেইমারের প্রত্যাবর্তন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আলোচনা কম হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচকের চেয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াই ছিল বেশি। ব্রাজিলভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয়ের ম্যাচে নেইমারের পারফরম্যান্স ঘিরে ছিল ১ হাজার ৮১৪টি মন্তব্য। বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মোট মন্তব্যের ৫৫.৭ শতাংশই ছিল নেতিবাচক। বিপরীতে ইতিবাচক মন্তব্য ছিল ২৯.৮ শতাংশ এবং নিরপেক্ষ ছিল ১৪.৪ শতাংশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নেতিবাচক মন্তব্যের হার ছিল ৬১.১ শতাংশ। অন্যদিকে রেডিটে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছিল ৫২.৫ শতাংশ। দুই প্ল্যাটফর্মেই ইতিবাচক মন্তব্য মোট প্রতিক্রিয়ার এক-তৃতীয়াংশেরও কম।

সমীক্ষা অনুযায়ী, মন্তব্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া, যা মোট মন্তব্যের ১৮.৪ শতাংশ। এছাড়া নিরপেক্ষতা (১৩.৬ শতাংশ), রাগ (১১.৫ শতাংশ), বিরক্তি (১১.৫ শতাংশ), আস্থা (১০.৯ শতাংশ), বিভ্রান্তি (৯.২ শতাংশ), দুঃখ (৫.৮ শতাংশ), প্রত্যাশা (৫.৬ শতাংশ), আনন্দ (৫.১ শতাংশ) এবং বিস্ময় (৪ শতাংশ) লক্ষ্য করা গেছে।

সমালোচনা থাকলেও নেইমারকে ঘিরে আগ্রহের কমতি ছিল না। ম্যাচের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় তাকে নিয়ে গুগলে প্রায় ১৫ লাখ সার্চ হয়েছে, যা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হলান্ডের মতো তারকাদের সমপর্যায়ের।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে গতিতে খুব একটা আস্থা দেখাতে পারেননি নেইমার। ফিফার প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামা ব্রাজিলের আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে কম গতিতে স্প্রিন্ট করেছেন তিনি। তার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ২৬.৪ কিলোমিটার।

পুরো ম্যাচে এর চেয়ে কম গতি ছিল শুধু স্কটল্যান্ডের বদলি খেলোয়াড় চে অ্যাডামসের, যার সর্বোচ্চ স্প্রিন্ট ছিল ঘণ্টায় ২৫.৬ কিলোমিটার। তবে নেইমারের ধীরগতির পেছনে কারণও রয়েছে। ম্যাচের আগে তিনি এক মাসের বেশি সময় প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলের বাইরে ছিলেন, জাতীয় দলে ফিরেছেন ৯৮১ দিন পর।

আইএইচ