World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

কেপ ভার্দের অধিনায়কের বিরুদ্ধে ব্রাজিলিয়ান নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ!

কেপ ভার্দের অধিনায়কের বিরুদ্ধে ব্রাজিলিয়ান নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ!

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে নকআউট পর্বে উঠে চমকে দিয়েছে কেপ ভার্দে। আরও বড় চমক আছে। তাদের অধিনায়কের বিরুদ্ধে এক ব্রাজিলিয়ান নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, বর্তমানে বিশ্বকাপে খেলা কেপ ভার্দের অধিনায়ক রায়ান মেন্ডেসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে তদন্ত চলমান।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো স্পোর্তে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘটনা এই বছরের মার্চের। ফিফা সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ডে গিয়েছিল কেপ ভার্দে। স্বাগতিক ছাড়াও চিলির বিপক্ষে ম্যাচ ছিল তাদের। 

নিউজিল্যান্ডে বাস করা এক ব্রাজিলিয়ান নারীকে নিউজিল্যান্ড ফুটবল ফেডারেশন কেপ ভার্দের দল ও স্টাফদের দোভাষী হিসেবে নিয়োগ দেয়। অভিযোগকারী ওই নারী জানান, ২৭ মার্চ অকল্যান্ডে কেপ ভার্দের টিম হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন তিনি। ওই নারীর অভিযোগ, তাকে একটি কাজের বৈঠকে ডেকে একটি সামাজিক আড্ডায় নেওয়া হয়। তিনি নিজের কক্ষে ফিরে যাওয়ার পর মেন্ডেস তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন। ফরেনসিক ও মেডিকেল রিপোর্টে তার শরীরে আঘাতের স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে।

Purple bruise on the neck of the Brazilian woman who filed a complaint against Ryan Mendes — Photo: Personal Archive

ভুক্তভোগী চিকিৎসা ও ফরেনসিক প্রমাণাদি দিয়ে ফিফা এবং কেপ ভার্দে ফুটবল ফেডারেশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছেন। নিউজিল্যান্ড পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা চার্জশিট গঠন করা না হলেও তদন্ত চলছে।

গত ১০ মে ভুক্তভোগী ও তার স্বামী ফিফা এবং কেপ ভার্দে ফুটবল ফেডারেশনের কাছে মেন্ডেসকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠান। ফিফা জানিয়েছে, তারা নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। অন্যদিকে কেপ ভার্দে ফুটবল ফেডারেশন বা মেন্ডেস কেউই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে মন্তব্য করেননি।

তবে গ্লোবো একটি হোয়াটসঅ্যাপের কথোপকথন প্রকাশ্যে এনেছে। যেখানে কেপ ভার্দে ক্যাম্পের এক কর্মকর্তা ভুক্তভোগীকে জানিয়েছে, বিষয়টি রায়ানের ‘ব্যক্তিগত সমস্যা’। এই অভিযোগ নিয়ে তাদের কিছুই করার নেই।

কিন্তু নিউজিল্যান্ড পুলিশ নিশ্চিত করেছে, গত এপ্রিল থেকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং দেশটির ফুটবল ফেডারেশন বিবৃতি দিয়েছে, ‘আমরা বুঝতে পারছি যে এই ব্যাপারটায় নিউজিল্যান্ড পুলিশ সংশ্লিষ্ট। তাই এই পরিস্থিতি নিয়ে আরও বেশি সঠিক মন্তব্য তারাই করতে পারবে।’ মেন্ডেসের এই ব্যাপার নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ফিফাও।

এফএইচএম