বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর অলিম্পিক। ২০২৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে বসবে অলিম্পিকের আসন্ন আসর। যেখানে দীর্ঘদিন পর ফিরছে ক্রিকেট। ইতোমধ্যেই ২০২৮ অলিম্পিকে ক্রিকেটের বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে আইসিসি ও আইওসি (আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি)।
যেখানে বাংলাদেশকে বাছাইপর্ব পেরিয়ে যোগ্যতা অর্জন করে মূল পর্বে যেতে হবে। ২০২৭ সালে হবে আইসিসি অলিম্পিকস কোয়ালিফায়ার। এশিয়া থেকে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে ভারত। এ ছাড়া নিজ নিজ মহাদেশ থেকে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও গ্রেট ব্রিটেন। এক্ষেত্রে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড মিলে গ্রেট ব্রিটেন হিসেবে অংশ নিতে পারে অলিম্পিকে।
এ ছাড়া স্বাগতিক হিসেবে পুরুষ ও নারী দুই ক্রিকেট ইভেন্টেই সরাসরি খেলতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য ২০২৬ সালের ৩০ জুন থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেকোনো সময়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১৫-তে থাকতে হবে দলকে। পুরুষদের ক্রিকেটে এ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ১৩তম ও নারীদের ক্রিকেটে ২০তম অবস্থানে রয়েছে।
এ দিকে অলিম্পিকে অংশ নিতে পারছে না ওয়েস্ট ইন্ডিজ, কারণ তারা অলিম্পিক কমিটির অন্তর্গত সদস্য বা দেশ নয়। ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলিম্পিকে টিকিট না পাওয়া দলগুলোর মধ্যে র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৮ এ থাকলে ক্যারিবীয় বাছাই প্রতিযোগিতা আয়োজিত হবে, সেখান থেকে অলিম্পিকের বাছাই খেলার সুযোগ পাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুচ্ছের যেকোনো একটি দেশ।
বাছাইপর্ব থেকে বেছে নেওয়া হবে মাত্র একটি দল। এজন্য লড়াই করবে ৮ দল। এই ৮ দল বেছে নেওয়া হবে র্যাংকিং অনুযায়ী। বাংলাদেশ নারী ও পুরুষ দলকে তাই বাছাইপর্ব খেলে অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। চূড়ান্ত ৬ দল নিয়ে অলিম্পিকে হবে দুটি গ্রুপ। গ্রুপের প্রত্যেকে খেলবে পরস্পরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ। এরপর অন্য গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে ভিন্ন অবস্থানে থাকা দলের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ। এরপর হবে ফাইনাল ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। নারী ও পুরুষ ইভেন্ট মিলে অলিম্পিকে ক্রিকেট ম্যাচ হবে মোট ২৮টি।
এসএইচ/এইচজেএস
