একের পর এক আক্রমণেও মাচের ডেডলক ভাঙতে পারছিল না নেদারল্যান্ডস-মরক্কোর কেউই। আশরাফ হাকিমির শট গোলবারে লেগে ফেরায় গতবারের সেমিফাইনালিস্টদের হতাশায় পুড়তে হয়। অবশেষে ৭২ মিনিটে স্কোরলাইনে পরিবর্তন আনলেন কোডি গাকপো। সদ্যজাত সন্তান হারানোর বেদনায় ভোগা এই তারকা নেদারল্যান্ডসকে লিড এনে দিলেন।
সম্প্রতি গাকপো ও তার জীবনসঙ্গীনি ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে সন্তানের মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবুও টুর্নামেন্টে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। যা নিয়ে ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান জানান, ‘অবশ্যই প্রথম কয়েকদিন পরিবারের কাছে এই সময়ে উপস্থিত থাকার স্বাধীনতা ছিল তার। তবে সে কখনোই বলেনি “আমি এখন বাড়িতে ফিরতে চাই।”’
‘সে খেলতে প্রস্তুত এবং আমি মনে করি না এটি তার পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলবে। সে নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা খুব শক্তিশালী, সুন্দর এবং আমরা সেটি (দুঃখের স্মৃতি) পেছনে রেখে এসেছি’, আরও যোগ করেন কোম্যান।
লিভারপুল ফরোয়ার্ড সেই বেদনার স্মৃতি পেরিয়ে স্মরণীয় গোলের পর কান্নায় ভেঙে পড়লেন। এর আগে ক্ষিপ্রগতিতে ওয়েগহর্স্ট বক্সে ঢোকার পর ১৮ গজ এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান। তবে মরক্কোর দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে তিনি শুয়েই বল বাড়িয়ে দেন ছুটে আসা গাকপোর উদ্দেশে। লিভারপুল ফরোয়ার্ড জোরালো গতিতে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনোকে ফাঁকি দিয়ে সেটি মরক্কোর জালে জড়ান।
এএইচএস

