World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে : ফিফা সেক্রেটারি জেনারেল

বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে : ফিফা সেক্রেটারি জেনারেল

ফ্রান্স-সুইডেন ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের প্রেস সেন্টারে ব্যস্ততা। কেউ আইভোরি কোস্ট-নরওয়ে ম্যাচের বিশ্লেষণ করছেন, আবার কেউ অন্য খেলার খোঁজ রাখছেন। এমন সময়ে ফিফার সেক্রেটারি জেনারেল (মহাসচিব) মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রম প্রেস সেন্টার পরিদর্শনে আসেন। 

ইউরোপের অনেক সাংবাদিকদের সঙ্গে আগে থেকেই পরিচয়। তাদের সাথে কুশল বিনিময় করলেন। সাংবাদিকদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো ঘুরেঘুরে দেখছিলেন। ফিফার প্রধান সভাপতি হলেও প্রশাসনিক সকল কিছুই সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমেই হয়। তাই ফিফার প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে বাংলাদেশি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাক্ষাৎ।

বাংলাদেশ কখনো বিশ্বকাপ খেলে না। এমনকি এশিয়া মহাদেশের টুর্নামেন্ট এশিয়া কাপে খেলেছে সেই ১৯৮০ সালে। এরপরও বিশ্বকাপ আসলে সারা বিশ্ব জুড়ে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ উন্মাদনার বিষয়টি জানা। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের উন্মাদনার কথা জানেন ফিফার সাধারণ সম্পাদকও, ‘বাংলাদেশে বিশ্বকাপ উন্মাদনা অসাধারণ।’

No description available.

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ নিয়ে অনেক উন্মাদনা ও আলোচনা থাকলেও বাংলাদেশ ফুটবলের বিশ্ব মানচিত্রে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর একটি। ফিফার প্রশাসনিক প্রধান অবশ্য বাংলাদেশের ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া লক্ষ্য করছেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত উন্নতি করছে। ফিফার সাপোর্ট বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে।’ ফিফার সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটবল আরও সামনে আগানোর আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘ফিফা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। সামনে আরও ভালো করবে।’

খেলার মান ও ফলাফলে পিছিয়ে থাকলেও সমর্থকদের উদ্দীপনা বাংলাদেশ বিশ্ব শীর্ষ ফুটবল দেশগুলোর চেয়েও এগিয়ে। তাই বাংলাদেশের সমর্থকদের শুভকামনা জানিয়েছেন ফিফার সেক্রেটারি জেনারেল, ‘বাংলাদেশের ফুটবল ফ্যানদের জন্য শুভ কামনা। বাংলাদেশ ভ্রমণে যেতে চাই।’

No description available.

বিশ্বকাপের সময় ফিফার সেক্রেটারি জেনারেলের রাজ্যের ব্যস্ততা। সকল কিছু দেখভাল করার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তার। শত ব্যস্ততার মধ্যেও নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের প্রেস সেন্টারে মিনিট দশেকের জন্য এসেছিলেন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সাংবাদিকরা কিছু জানতে চেয়েছেন ও পরামর্শ দিয়েছেন ফিফার সেক্রেটারি জেনারেলকে। 

১৯৮০ সালে জন্ম নেওয়া মাতিয়াস উয়েফা মিডিয়া বিভাগে কাজ করেছেন। সুইডেন ও নরওয়ে ফুটবল দলের মিডিয়া অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৬ সালে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ফিফা সভাপতি হওয়ার পর মাতিয়াসের ফিফায় যাত্রা শুরু। ২০১৯ সালে তিনি ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল হন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ভারপ্রাপ্ত ফিফা মহাসচিবের পদ পান। ২০২৪ সালে ব্যাংকক কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে অনুমোদিত হন। সেই দায়িত্বে এটাই তার প্রথম বিশ্বকাপ। 

এজেড/এফএইচএম