অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় লিড নিয়েছিল মোহামেদ সালাহ’র মিসর। ইতিহাস গড়ার অপেক্ষায় থাকা দলটি ৫৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেছিল। কিন্তু এরপরই মিসরের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। সেই ১-১ স্কোরলাইন ৯০ মিনিট শেষে আর কেউ বদলাতে পারেনি। ফলে ম্যাচ গড়াল অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
১৯৩৪ বিশ্বকাপেই কেবল নকআউটে খেলেছিল মিসর। যদিও সেবার পুরো আসরই সরাসরি নকআউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফলে তাদের এবার ৯২ বছর পর নকআউটে ওঠাটা ছিল ঐতিহাসিক। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া নকআউটে প্রথম জয়ের অপেক্ষায় নেমেছে টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে।
খেলার ১৩ মিনিটে মিসর দলীয় আক্রমণ থেকেই সাফল্য পায়। সালাহ’র বাড়ানো পাস ধরে ইমান আশুর শট নেন। অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে সেটি ফিরে আসলে আশুর নিখুঁত হেডে জালকে ঠিকানা বানান। সেই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মিসর।
দ্বিতীয়ার্ধে লিড ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন মিসরীয় তারকা ওমর মারমুশ। কিন্তু তিনি সকারুজ গোলরক্ষককে একা পেয়ে বল বাইরে মেরে বসেন। ৫৫ মিনিটে আরও বড় ভুল করে লিড হারায় মিসর। অস্ট্রেলিয়ার নেওয়া ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে গিয়ে মোহাম্মদ হানি আত্মঘাতী গোলে প্রতিপক্ষকে সমতায় ফেরান।
আবারও লিড নেওয়ার প্রচেষ্টায় মিসর মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর আক্রমণেও অবশ্য তাদের ফিনিশিং দেওয়া হয়নি। অস্ট্রেলিয়া গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ যোগ করা সময়ে মিসরের দারুণ একটি প্রচেষ্টা অবিশ্বাস্য দক্ষতায় বারের উপরে ঠেলে দিয়ে স্কোরলাইন ১-১ অক্ষুণ্ন রাখলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
এএইচএস

