লিওনেল মেসির দারুণ ফিনিশিংয়ে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে তারা কিছুটা ছন্দ হারাতেই সুযোগটা নিয়েছে কেপ ভার্দে। ৫৯ মিনিটে তারা ডেরয় দুয়ার্তের গোলে আর্জেন্টিনার জাল কাঁপিয়ে স্কোরলাইন ১-১ পরিণত করেছে।
রায়ান মেন্দেস ডান প্রান্ত দিয়ে বল বাড়ালে দুয়ার্তে ফাঁকা জায়গা দিয়ে দৌড়ে দুর্দান্ত এক শটে এমিলিয়ানো মার্টিনেজের পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান। আর্জেন্টিনার লিড নেওয়া গোলে অ্যাসিস্ট করা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ দ্রুত এগিয়ে এলেও দুয়ার্তেকে ঠেকাতে পারেননি।
এর আগে ২৮ মিনিটে আলবিসেলেস্তেদের লিড এনে দেন মেসি। তার উদ্দেশে নিজেদের অর্ধ থেকে নিখুঁত এক পাস বাড়িয়ে ছিলেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। মেসির দৌড়ে যাওয়ার লাইনেই ছিল সেই বল। যা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডি-বক্সের ভেতর ৭ গজ দূরত্ব থেকে শট নেন তিনি। সেই জোরালো শট কেপ ভার্দে গোলরক্ষক দোসিমার দিয়াজ ভোজিনহার ঠেকানোর সাধ্য ছিল না।
বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ সপ্তম ম্যাচে গোলের বিশ্বরেকর্ড আগেই গড়েছিলেন মেসি। এবার অষ্টম ম্যাচেও গোল পেলেন টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যাকে মেসি ২০-এ নিয়ে গেলেন। নিজের রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে তুঙ্গে থাকা ফর্ম দিয়ে প্রতিপক্ষকে ক্ষত-বিক্ষত করে চলছেন আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক।
তবে বিরতির পর সমতায় ফিরে কেপ ভার্দে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়ে রাখল। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের শেষ ৩২-এর দ্বৈরথটা যে সহজ হবে না তা আগেই ধারণা করা হচ্ছিল। এবার মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবলে ভোজিনহারা তারই বাস্তবায়ন করছেন!
এএইচএস

