তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও রোমাঞ্চের পর চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জে উৎরে গেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ৩২–এর ম্যাচে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে তারা শেষ ষোলোয় ওঠে। এরপর আবহাওয়াজনিত কারণে আরেকটি প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখে পড়ল লিওনেল স্কালোনির দল। বজ্রঝড়ের শঙ্কায় তাদের অনুশীলন স্থগিত হয়ে গেছে।
মায়ামির স্থানীয় সময় শনিবার সকালে অনুশীলন করার কথা ছিল আর্জেন্টিনার। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বজ্রপাতসংক্রান্ত নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী, মাঠের পরিবর্তে তারা জিমে অনুশীলন করবেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ে জিতে অবশ্য এই অনুশীলনটা কারও জন্য রুটিনসূচি, কেউবা নিজেদের আরও ঝালিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে নামতেন।
স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে অনুশীলন শুরুর কথা ছিল আলবিসেলেস্তেদের। মায়ামিতে শেষ ৩২–এর ম্যাচে টানা ১২০ মিনিটের খেলায় যারা ৩০ মিনিটের বেশি সময় মাঠে ছিলেন, নিজেদের পুনরুদ্ধারমূলক (রিজেনারেটিভ) অনুশীলন করার কথা ছিল। অন্যদিকে, যাদের খেলার সময় কম ছিল বা একেবারেই মাঠে নামেননি, তাদের জন্য ছিল অপেক্ষাকৃত কঠোর অনুশীলনের পরিকল্পনা।
এ ছাড়া বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কোচ লিওনেল স্কালোনির কোচিং স্টাফ তিন ফুটবলারের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। ফাকুন্দো মেদিনা নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। এনজো ফার্নান্দেজও শারীরিক অস্বস্তি নিয়ে শেষ করেন কেপ ভার্দে ম্যাচ। আর অতিরিক্ত সময়ে নিকোলাস গঞ্জালেসের গোড়ালি মচকে যায় এবং কয়েক মিনিট তিনি মাঠেই শুয়ে ছিলেন।
— Selección Argentina (@Argentina) July 4, 2026
আগামী সোমবার বিকেলে আটলান্টায় রওনা দেওয়ার আগে আর্জেন্টিনা আরও দুটি মাঠের অনুশীলন সেশন করবে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকে কি না সেটাও ভাবনার বিষয়। আটলান্টায় আগামী ৭ জুলাই শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) মিসরের মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এদিকে, শেষ ষোলোর আগে বিশ্রামের সময় কম পাওয়ায় সংবাদ সম্মেলনে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের সূচি কীভাবে করা হয়েছে, আমি জানি না। প্রথমে আমরা ছয় দিন বিশ্রাম পেয়েছিলাম, আর এখন পাচ্ছি মাত্র সাড়ে তিন দিন। যখন সবচেয়ে বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন, তখনই সবচেয়ে কম সময় দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি বোঝা খুবই কঠিন। সূচিতে কম চাপ দিয়ে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে কঠিন হওয়া উচিত ছিল। তবে যাই হোক, সবকিছু এভাবেই চলছে।’
এএইচএস

