তিন স্বাগতিক দেশের মধ্যে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল কানাডা। তাদের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে (৩-০) মরক্কো সবার আগে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। সর্বশেষ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা আটলাস লায়নদের সেই অভিযান অব্যাহত রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপেও। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ কারা তা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হবে না বেশিক্ষণ।
শেষ ষোলোর দ্বিতীয় ম্যাচে আজ (রোববার) রাত ৩টায় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নামবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। এই ম্যাচে বিজয়ী দল কোয়ার্টারে লড়বে মরক্কোর সঙ্গে। আগামী ১০ জুলাই দিবাগত রাত ২টায় রোমাঞ্চকর সেই ম্যাচটি হবে ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে।
এদিকে, হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে মরক্কো-কানাডা ম্যাচ দিয়ে শুরু হয় বিশ্বকাপের শেষ ষোলো। যেখানে মরক্কোর হয়ে আজ্জেদিন উনাহি জোড়া এবং সুফিয়ান রাহিমি এক গোল করেছেন। আশরাফ হাকিমির দলের দখলে ছিল ৫৩ শতাংশ বল। এ ছাড়া তারা ৫ শটের ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে ১০ শটের ৩টি লক্ষ্যে ছিল কানাডার। তাদের বেশ কয়েকটি দারুণ আক্রমণ ঠেকিয়েছেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো।
গোল না পেলেও মরক্কোর পরের দুটি গোলেই ছিল ব্রাহিম দিয়াজের অবদান। আফ্রিকার প্রথম কোনো ফুটবলার হিসেবে তিনি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন। মরক্কো কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠায় সেই রেকর্ড আরও উন্নীত করার সুযোগ আছে এই রিয়াল মাদ্রিদের তারকার সামনে। ম্যাচে অবশ্য ম্যাচের প্রথমার্ধে কানাডার তীব্র আক্রমণের চাপ সামলাতে হয়েছে মরক্কোকে। ৫০ মিনিটে আশরাফ হাকিমির সেটপিস থেকে এবং ৮২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন উনাহি। এরপর ইনজুরি সময়ে (৯৮) তৃতীয় গোলে বড় জয় নিশ্চিত করেন সুফিয়ান রহিমি।

এদিকে, দুর্দান্ত ফর্মে আছে বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপে যেখানে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সঙ্গে আছেন উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসের মতো অসাধারণ ছন্দে থাকা তারকারা। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে অবশ্য ফরাসিরা প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়েকে নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যারা টাইব্রেকারে জার্মানিকে পরাজিত করে এই পর্বে ওঠে।
এএইচএস

