প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বল দখলে একপেশে দাপট দেখালেও, প্রথমার্ধজুড়ে কার্যত বড় সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট দল ফ্রান্স। কেবল তাই নয়, এ সময়ে কোনো দলই অন-টার্গেটে শট রাখতে পারেনি। যা ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর কোনো নকআউট ম্যাচে মাত্র তৃতীয় ঘটনা।
এর আগে ১৯৯০ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানি-আর্জেন্টিনা এবং ২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিল-ফ্রান্স ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো পক্ষই গোলের জন্য নেওয়া শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি। একই স্মৃতি ফেরাল ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে। যদিও ফ্রান্স ৭৪ শতাংশ বলের দখল রেখেছে, আর তাদের নেওয়া ৫টি শটই অফ-টার্গেটে। বিপরীতে গোলের জন্য প্যারাগুয়ের শট কেবল দুটি।
শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করে দেওয়া প্যারাগুয়ের বেশিরভাগ সময়ই কেটেছে ফ্রান্সের আক্রমণ থামাতে। যেখানে বারবার তাদের ফাউলের শিকার ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। ৩৬ মিনিটে তার সঙ্গে বাদানুবাদ হয় প্যারাগুয়ে ফুটবলার আন্দ্রেস কুবেসের। ফাউলের পর এমবাপেও তাকে হালকা ধাক্কা দেন। পরে তাদের সরিয়ে দেন রেফারি।
দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স গোলের খাতা খোলার চেষ্টায় বেশ সংগ্রাম করছে। তাদের বেশ শক্তভাবেই প্রতিহত করছে প্যারাগুয়ে ডিফেন্ডাররা। এ ছাড়া উভয় দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব থাকতে পারে ফিলাডেলফিয়ার অত্যধিক তাপমাত্রা। শেষ ষোলোর এই ম্যাচ শুরুর আগে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ থাকার কথা জানা যায়।
এএইচএস

