বড় কোনো সুযোগ তৈরি ছাড়াই শেষ হয়েছিল প্রথমার্ধ। ওই সময়ে ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে অন-টার্গেটে কোনো শটও নিতে পারেনি। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াইয়ে তারা বিরতিতে যায় গোলশূন্য সমতায়। বদলি নামা দেজিরে দুয়ের কল্যাণে ফাউল পেয়েছে ফরাসিরা। এরপর পেনাল্টিতে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লিড এনে দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে।
প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক ওরল্যান্ডো গিল নিজের ডানদিকে লাফ দিয়েছিলেন, সেটি আন্দাজ করে ফ্রান্স অধিনায়ক ঠাণ্ডা মাথায় শট নেন তার বাঁ দিকে। এ নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির সমান সপ্তম গোল করলেন এমবাপে। এ ছাড়া বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও তিনি আর্জেন্টাইন অধিনায়কের (২০) চেয়ে কেবল এক গোল পিছিয়ে আছেন।
এর আগে প্যারাগুয়ে রক্ষণ ভাঙার লক্ষ্যে ৬১ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার জায়গায় দুয়েকে বদলি নামান ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। এই পিএসজি ফরোয়ার্ডই এনে দেন গোলের উপলক্ষ্য। দুয়ে ড্রিবলিং করে বক্সে ঢুকে পড়লে প্যারাগুয়ের কয়েকজন ডিফেন্ডার ঘিরে ধরে তাকে ট্যাকল করেন। রেফারি প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বললেও, আবেদনে সাড়া দিয়ে পরে ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে চলমান ম্যাচের প্রথমার্ধে ফ্রান্স একের পর এক আক্রমণ, আর প্যারাগুয়ে সেসব সামলাতেই সময় ব্যয় করেছে। যদিও এমবাপে-দেম্বেলেদের আক্রমণ ঠিক গোল পাওয়ার জন্য উপযুক্ত ছিল না। প্যারাগুয়ে রক্ষণ ছেড়ে মাঝেমধ্যে উপরে উঠলেও কার্যকর আক্রমণ ছিল না তাদের। ফলে উভয়পক্ষের হাতাহাতি ছাড়া প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটেনি।
এএইচএস

