ফাইনালের আগের ফাইনাল বললে যেন ভুল হবে না! কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে পরস্পরের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে স্পেন ও পর্তুগাল। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে প্রথমার্ধ। কোনো দলই গোল আদায় করতে না পারলেও প্রথম ৪৫ মিনিট ছিল উত্তেজনায় ঠাসা।
ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে স্পেন ও পর্তুগাল ফুটবল দল। ম্যাচের ১২ মিনিটেই দুদল অন ও অফ টার্গেটে শট নিয়েছে মোট সাতটি।
ম্যাচের অষ্টম মিনিটে তো লিড পেয়েই যেত স্পেন। বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ওইয়ারজাবাল। তার সামনে ছিল কেবল পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। কিন্তু ওইয়ারজাবালের নেওয়া শটটি লক্ষ্যে ছিল না। সাইডবারের পাশ দিয়ে চলে যায় বলটি। সে যাত্রায় বেঁচে যায় পর্তুগাল।
পরক্ষণেই আক্রমণে উঠে পর্তুগাল। বুলেট গতির এক শট নেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু বীরত্বের সঙ্গে শটটি কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। তিন মিনিট পর ডাবল সেভ করেন পর্তুগালের গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে দলগত আক্রমণ করে পর্তুগাল। কিন্তু ডানপ্রান্ত থেকে সতীর্থদের দেওয়া ক্রসে হেড করেন জোয়াও ফিলিক্স। সেটি ফিরিয়ে দেন উনাই সিমন। সঙ্গে সঙ্গে কৌশলগত এক টোকা দিয়েছিলেন রোনালদো। এবার বাজপাখির মতো উড়ে এসে বল তালুবন্দী করেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক।
তিন মিনিট পর দুর্দান্ত এক শট নেন নুনো মেন্ডিস। স্পেনের রক্ষণভাগের কল্যাণে সে যাত্রায় রক্ষা মেলে।
এমএমএম/

