World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা দেখা গেল

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা দেখা গেল

মরক্কোর বিপক্ষে জয়ের রাতে কিলিয়ান এমবাপের পেনাল্টি মিস হয়তো ফ্রান্সের সমর্থকেরা মনে রাখবেন না। কারণ সেই ব্যর্থতার পরও ২-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে দ্য ব্লুজরা। তবে এমবাপের এই ব্যর্থতা বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে এক বিরল তালিকায়।

বিশ্বকাপের মূলপর্বে ফ্রান্সের কোনো খেলোয়াড়ের পেনাল্টি মিসের ঘটনা ঘটেছে মাত্র দ্বিতীয়বার। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে করিম বেনজেমা পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। দীর্ঘ ১২ বছর পর সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে।

মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে প্রথমার্ধে পেনাল্টি পেয়েছিল ফ্রান্স। বক্সের মধ্যে এমবাপে ফাউলের শিকার হয়েছেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন আর্জেন্টাইন রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো।

তিন মিনিটের বেশি সময় অপেক্ষার পর ২৭তম মিনিটে পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন এমবাপে। তবে তার শট ছিল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দুর্বল। দৌড়ের গতি কমিয়ে গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও তা কাজে আসেনি। উল্টো বুনু ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সহজেই বলটি ঠেকিয়ে দেন।

এর আগে বিশ্বকাপের মঞ্চে পেনাল্টি থেকে এমবাপের রেকর্ড ছিল শতভাগ সফল। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুইবার এবং এবারের আসরে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে একবার; মোট তিনটি পেনাল্টি থেকেই গোল করেছিলেন তিনি। তবে মরক্কোর বিপক্ষে সেই ধারায় ছেদ পড়েছে।

তবে ব্যর্থতার পর দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ান ফরাসি অধিনায়ক। দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ওসমান দেম্বেলের গোলে জয় নিশ্চিত করে ফ্রান্স।

পেনাল্টি মিস করা এমবাপের সঙ্গে করিম বেনজেমার একটি মিলও রয়েছে। দুজনই বিশ্বকাপে পেনাল্টি মিস করার পর একই ম্যাচে গোল করে নিজেদের ফিরে পেয়েছেন। বেনজেমা ২০১৪ বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করার পর গোল করেছেন ৬৭তম মিনিটে। অন্যদিকে এমবাপে করেছেন ৬০ মিনিটে।

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মোট ১৮টি পেনাল্টি পেয়েছে ফ্রান্স, এর মধ্যে ১৬টিতে গোলের দেখা পেয়েছে দলটি। বাকি দুইটি মিস করেছেন কেবল বেনজেমা ও এমবাপে।

আইএইচ