World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

ক্লাবের জার্সিতে ‘হালান্ড’, জাতীয় দলে ‘ব্রাউট হালান্ড’ কেন?

ক্লাবের জার্সিতে ‘হালান্ড’, জাতীয় দলে ‘ব্রাউট হালান্ড’ কেন?

বিশ্বকাপে একের পর এক গোল করে যাচ্ছেন আর্লিং হালান্ড। ৫ ম্যাচে ৭ গোল করে নরওয়েকে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন তিনি। তবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যারা একটু ভালোভাবে দেখছেন, তাদের চোখে একটি বিষয় নিশ্চয়ই ধরা পড়েছে। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলার সময় তার জার্সির পেছনে লেখা থাকে শুধুই ‘হালান্ড’। কিন্তু দেশের জার্সিতে খেললেই সেখানে দেখা যাচ্ছে ‘ব্রাউট হালান্ড’।

প্রকৃতপক্ষে নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের পুরো নাম আর্লিং ‘ব্রাউট হালান্ড’। যেখানে ‘হালান্ড’ অংশটি এসেছে তার বাবা ও সাবেক প্রিমিয়ার লিগ তারকা আলফ-ইঙ্গে হালান্ডের কাছ থেকে। আর মাঝের ‘ব্রাউট’শব্দটি মূলত তার মা গ্রাই মারিতা ব্রাউটের পারিবারিক পদবি।

নরওয়েজিয়ান সংস্কৃতিতে মায়ের পারিবারিক নামকে এভাবে মাঝের নাম হিসেবে ব্যবহার করার বেশ প্রচলন রয়েছে। দেশের হয়ে বিশ্বমঞ্চে খেলার সময় নিজের মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতেই জার্সির পেছনে মায়ের দেওয়া নাম ‘ব্রাউট’যোগ করেছেন হালান্ড। এমনকি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলেও তিনি নিজের এই পুরো নামটিই ব্যবহার করেন।

শুধু হালান্ডই নন, নরওয়ে দলের তার সতীর্থ ক্রিস্টোফার আয়েরও ক্লাবের হয়ে খেলার সময় শুধু আজের লিখলেও দেশের জার্সিতে লেখেন ‘ভাসবেক আজের’।

ক্যারিয়ারের শুরুতে রেড বুল সালজবার্গ এবং বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের জার্সিতেও ‘ব্রাউট হালান্ড’ ব্যবহার করতেন হালান্ড, যা পরে পরিবর্তন করে কেবল ‘হালান্ড’ করা হয়।

রাউন্ড অব সিক্সটিনে ব্রাজিলের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা এই ফর্মের তুঙ্গে থাকা স্ট্রাইকারের পরবর্তী মিশন এখন ড্যালাসে, যেখানে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ শনিবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে হালান্ডের নরওয়ে।

এমএমএম/