World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন মেসি

ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন মেসি

৩-১ ব্যবধানে জয়। স্কোরলাইন দেখলে মনে হবে দাপুটে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। যদিও ম্যাচের চিত্রটা ছিল ভিন্ন। দশ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল। অতিরিক্ত সময়ের হাফটাইমেও লিড বাড়াতে পারেনি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। তবে শেষ ১৫ মিনিটে দুইবার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপায় আলভারেজ-মার্টিনেজরা। 

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলের জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। জয়ের পর নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, ‘এই জয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। খুবই কষ্টার্জিত একটি জয় ছিল।’ আরও যোগ করেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম ম্যাচটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে।’

আরও পড়ুন

কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পার হওয়াকে স্বস্তিদায়ক উল্লেখ করে মেসি বলেন, ‘সামনে যে কঠিন লড়াই আসছে, তার আগে এই জয়টি আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর ফলে আগামী ম্যাচটির আগে আমরা কিছুটা চাপমুক্ত হয়ে প্রস্তুতি নিতে পারব।’ আগামী বুধবার আটলান্টায় ফাইনালের টিকিট কাটার লক্ষ্যে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন মেসি

মেসির ক্যারিয়ারে এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল হতে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, অফিসিয়াল কিংবা প্রীতি ম্যাচ—সব মিলিয়ে নিজের দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপের মঞ্চে এখন পর্যন্ত ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই পরাশক্তি। ১৯৬২ সালের প্রথম দেখায় এবং ১৯৬৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর ওপর ভর করে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা, পরে তারা শিরোপাও জেতে।

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যাম লাল কার্ড দেখার পর টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। তবে চার বছর পর (২০০২) গ্রুপ পর্বে বেকহ্যামের পেনাল্টি গোলেই ১-০ ব্যবধানে জিতে মধুর প্রতিশোধ নেয় ইংলিশরা। ২০০৫ সালের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই দুই দল আর কোনো ম্যাচে মুখোমুখি হয়নি।

এফআই