World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কী হয়েছিল হালান্ডের?

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কী হয়েছিল হালান্ডের?

চার ম্যাচে সাত গোল! অবিশ্বাস্য ফর্মে থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন নরওয়ের তারকা আর্লিং হালান্ড। কিন্তু পুরোটা সময় নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন। আর যখন তাকে খুব প্রয়োজন ছিল, তখন মাঠ থেকে তুলে নেন প্রধান কোচ স্তালে সোলবাকেন। 

এক্সট্রা টাইমের হাফ টাইমের পর ম্যাচ পেনাল্টি শুটআউটে নিতে নরওয়েকে আরেকটি গোল শোধ করতে হতো। ঠিক সেই সময়ে ১০৫তম মিনিটে হালান্ডকে বেঞ্চে ফেরানো হয়। মাঠে নামেন হোর্হেন স্ত্রান্দ লার্সেন। ম্যাচের বাকি সময় বেঞ্চে থেকে দলের হার দেখতে হয়েছে হালান্ডকে। এসময় তার চোখেমুখে ছিল হতাশার ছাপ।

কোনো ইনজুরির লক্ষণ দেখা যায়নি হালান্ডের মধ্যে। তাই ঠিক কী কারণে তাকে তুলে নেওয়া হলো, অজানাই থেকে গেছে। শারীরিক সমস্যা নাকি ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্ত? ফিটনেস ইস্যু নিয়ে হালকা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সোলবাকেন।

FBL-WC-2026-MATCH99-NOR-ENG

তবে এনিয়ে ভেতরের খবর ফাঁস করেছেন সাবেক প্রিমিয়ার লিগ স্ট্রাইকার টনি ক্যাসকারিনো। চেলসি ও অ্যাস্টন ভিলার সাবেক এই ফুটবলার টকস্পোর্ট-এর ‘ওয়ার্ল্ড কাপ উইকেন্ডার’ অনুষ্ঠানে জানান যে, ম্যাচের হাফ-টাইমে তিনি খবর পেয়েছেন হালান্ড গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন। টুর্নামেন্টের শুরুতে ইংল্যান্ডের ডেক্লান রাইস যেভাবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, হালান্ডের শারীরিক সমস্যাও অনেকটা একই রকম ছিল।

তিনি বলেন, ‘না, আমাকে গত রাতে জানানো হয়েছিল। হাফটাইমের সময় আমি একটি বার্তা পেয়েছিলাম যে সম্ভবত আর্লিং হালান্ড সুস্থ ছিলেন না। তিনি আরও অসুস্থ খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন। সুতরাং, স্পষ্টতই কোচ ফিটনেস সমস্যার কথা উল্লেখ করে এটার দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। তাছাড়া তাকে (হালান্ডকে) দেখেও ঠিক মনে হচ্ছিল না। আমরা যাই বলি না কেন, শারীরিকভাবে তাকে ঠিক মনে হচ্ছিল না। তিনি মাঠ থেকে উঠে গিয়েছিলেন, তবে কোনো চোটের কথা বলেননি। তাই আমি ধরে নিচ্ছি, মাত্র যেটা বললাম, সেটা ঠিক—তিনি অসুস্থতায় ভুগছিলেন।’

এফএইচএম