World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনাল, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী কার পক্ষে

ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনাল, সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী কার পক্ষে

ইউরোপীয় ফুটবলের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স ও স্পেন বিশ্বকাপের অলিখিত ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে। দু’দলের ফুটবল দর্শনে রয়েছে দারুণ বৈপরীত্য– ফ্রান্স দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে পারদর্শী, আর স্প্যানিশরা বল পজেশন ও নিয়ন্ত্রিত ফুটবলে বিশ্বাসী। ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স, স্পেনের একমাত্র বিশ্বশিরোপা ২০১০ আসরে।

আজ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ১টায় টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে লড়বে ফ্রান্স-স্পেন। এ ম্যাচে জিততে পারলে পশ্চিম জার্মানির পর দ্বিতীয় ইউরোপীয় দল হিসেবে টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার কীর্তি গড়বে ‘লে ব্লু’রা। বিপরীতে, ইউরো ২০২৪–এর সেমিফাইনাল এবং ২০২৫ উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়েই ফাইনালে ওঠার প্রেরণা রয়েছে স্পেনের। 

এদিকে, অপ্টা’র সুপারকম্পিউটারের হিসেবে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ফ্রান্সের জয়ের সম্ভাবনা ৪২.১ শতাংশ। আর স্পেনের সম্ভাবনা ৩১.৮ শতাংশ। এ ছাড়া ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা ২৬.১ শতাংশ বলে আভাস অপ্টার।

এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৩৮ বার মুখোমুখি হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেন। যেখানে স্প্যানিশদের দাপট স্পষ্ট, তারা ১৮ ম্যাচে জিতেছে। বিপরীতে ফ্রান্সের জয় ১৩টিতে এবং বাকি ৭ ম্যাচ হয়েছে ড্র। ২০১৮ বিশ্বকাপের শুরু থেকে বড় কোনো টুর্নামেন্টে খেলা ২৭টি ম্যাচের মধ্যে স্পেন মাত্র একটিতে হেরেছে (১৬টি জয়, ১০টি ড্র)। ২০২২ বিশ্বকাপে জাপানের কাছে ২-১ ব্যবধানে হারের পর থেকে তারা টানা ১৪টি ম্যাচে অপরাজিত।

এ সময়ে তারা মাত্র পাঁচটি গোল হজম করেছে এবং কোনো ম্যাচেই একটির বেশি গোল খায়নি (৯টি ম্যাচে কোনো গোলই হজম করেনি)। মাঝমাঠ ও রক্ষণে তাদের নিয়ন্ত্রণের চিত্রই ফুটে উঠছে জোরালোভাবে। তবে বিশ্বকাপের মুখোমুখি দ্বৈরথে স্পেনের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে ফরাসিরা। এর আগে ২০০৬ আসরে শেষ ষোলোর ম্যাচে তারা একে অপরের মুখোমুখি হয়, সেবার পিছিয়ে পড়েও ফ্রান্স শেষ ১০ মিনিটে দুটি গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছিল। মাত্র দ্বিতীয়বার তাদের এই সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় দেখা হতে যাচ্ছে।

এএইচএস