৬০ বছর পর ফাইনালে উঠার সুযোগ পাচ্ছে ইংল্যান্ড। সেই সুযোগ নিশ্চিত করতে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারাতেই হবে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড দলে বিভেদের গুঞ্জন উঠেছে। যদিও ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইনের দাবি, দলে কোনো বিভেদ নেই। বরং পুরো দল সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।
নরওয়ের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের পর অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নেয় ইংল্যান্ড। মিয়ামির প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে জোড়া গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তারকা মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম।
তবে ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স নিয়ে কোচ থমাস টুখেল সন্তুষ্ট হতে পারেননি। অন্যদিকে কোচের সন্তুষ্ট না হওয়ার মন্তব্যে আপত্তির ইঙ্গিত দেন বেলিংহ্যাম। রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা বলেছিলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে খেলা কতটা কঠিন, সেটি টুখেল পুরোপুরি জানেন না।’
বেলিংহ্যামের সেই মন্তব্যের পর কোচ ও খেলোয়াড়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে অধিনায়ক কেইন সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। বিবিসি স্পোর্টকে কেইন বলেন, ‘এমন একটি ম্যাচ খেলার পর মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়, তখন সে জানতও না কোচ কী বলেছেন। জুডের কাছ থেকে তখন কী আশা করেন?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মাত্রই একটি কঠিন লড়াই শেষ করেছি। মাঠের পরিস্থিতি খুবই কঠিন ছিল। এমন বড় টুর্নামেন্টে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করা সহজ নয়। আমাদের ঐক্যের কারণে আমরা সেমিফাইনালে এসেছি। এই সাফল্যের পেছনে শুধু খেলোয়াড়রা নয়, কোচ ও স্টাফদেরও অবদান আছে।’
কেইনের মতে, টুখেলের সরাসরি কথা বলার ধরনই তাকে সেরা কোচে পরিণত করেছে। এছাড়া জার্মান এই কোচ দলের প্রতি সবসময় ইতিবাচক। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি বুঝি। মাঠে থাকা খেলোয়াড়রাই সবচেয়ে ভালো জানে কখন আমরা ভালো খেলছি, কখন খেলছি না। ফুটবলে এটি স্বাভাবিক বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘টুখেল নিজের অনুভূতি লুকান না। বরং সরাসরি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। মানুষ এটিই পছন্দ করে। তিনি যখন কথা বলেন, সেটি কখনো সাজানো মনে হয় না। এটাই তাকে আলাদা করে। তার কথায় বিশ্বাস করা যায়, তার পদ্ধতিতেও বিশ্বাস রাখা যায়।’
আইএইচ

