World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

আটলান্টা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইনদের ঢল

আটলান্টা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টাইনদের ঢল

আটলান্টা সময় বিকেল তিনটায় আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ। এই ম্যাচ উপলক্ষ্যে আটলান্টা প্রশাসনের অতিরিক্ত সতর্কতা। বাড়তি জ্যামের শঙ্কা থাকায় আগেভাগেই স্টেডিয়ামের উদ্দেশ্যে রওনা। গাড়িতে যে পথ ত্রিশ মিনিটের সেটা লেগেছে প্রায় এক ঘণ্টা।  

আটলান্টা স্টেডিয়ামের এক কিলোমিটার দূরত্ব থেকে সমর্থকদের ঢল। যে দিকে চোখ যায়, সেখানেই আর্জেন্টিনার জার্সি পড়া সমর্থক। তারা, ‘ভামোস আর্জেন্টিনা’ মেসি’ স্লোগানে মুখর করে রেখেছে। কেউ গ্যালারিতে ঢোকার লাইনে, আবার কেউ শেষ মুহুর্তেও টিকিটের সন্ধানে; যদি কাছ থেকে মেসিদের দেখতে পাওয়া যায়। 

No description available.

এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ম্যাচ মানেই সমর্থকদের বিশাল উপস্থিতি। আটলান্টায় সেমিফাইনাল ম্যাচে আরও বেশি। এই ম্যাচে প্রতিপক্ষ যখন ইংল্যান্ড ফলে এখানে ঐতিহাসিক দ্বৈরথের জন্য মেসিদের সমর্থন দিতে বেশি সংখ্যক আর্জেন্টাইনদের উপস্থিতি। আটলান্টা স্টেডিয়াম অনেকটাই আর্জেন্টাইন সমর্থকময়— তা বলাই বাহুল্য।

ইংল্যান্ডও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। আর্জেন্টিনার এক যুগ আগে, ১৯৬৬ সালে তারা বিশ্বকাপের ট্রফি উচিয়ে ধরেছে। এরপর আর ফাইনালে খেলতে পারেনি। ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার দুই গোলে ইংল্যান্ড বিদায় নিয়েছিল। এবার আমেরিকায় ইংল্যান্ড সেই প্রতিশোধ নিতে চায়। ইংল্যান্ডের সমর্থকদের অনেকে আবার আর্জেন্টিনাকে টিপ্পনী কেটে বলছেন, ‘ফকল্যান্ড ইস আওয়ার’। ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক দ্বন্দ। যা মাঠের ফুটবলকেও বাড়তি প্রতিদ্বন্দিতার উপলক্ষ্য তৈরি হয়েছে। 

No description available.

ইংল্যান্ড সমর্থকরা টুখেলের ওপর আত্মবিশ্বাসী। হ্যারি কেইন-বেলিংহামরা ফর্মে রয়েছেন। তাই ইংল্যান্ডের সমর্থকরা আর্জেন্টিনাকে হারানোর ব্যাপারে আশাবাদী, ‘বিশ্বকাপের সর্বশেষ মুখোমুখিতে আমরা আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছিলাম। আমরা এই ম্যাচ জিতে ৬০ বছর পর আবার ফাইনালে খেলতে যাই। আশা করি ফুটবল কামিং হোম হবে এবার। ’

এজেড/ডিএ