বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে জিম্বাবুয়ে। তবে ৩২ রানের এই জয়ের পরও আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না দলটির অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বরং টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের আরও উন্নতির তাগিদ দিচ্ছেন তিনি। বিশ্ব ক্রিকেটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে নিজেদের মান আরও বাড়াতে হবে বলে মনে করেন রাজা।
ম্যাচ শেষে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক বলেন, ‘আমার মনে হয় বিশ্ব ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গেছে। জিম্বাবুয়ে এত দিন ধরে ১৬০-১৭০ রানের দল হিসেবে পরিচিত। কিন্তু আমরা যদি নিজেদের উন্নত না করি, আরও দক্ষ না হই এবং ২০০ রান করার লক্ষ্য না ধরি, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্য দলগুলোর থেকে পিছিয়ে পড়ব।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৭১ রান করার পরও ব্যাটিংয়ে আরও আগ্রাসী হওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রাজা। পাশাপাশি ব্যাটারদের আরও দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
অতিরিক্ত ব্যাটার খেলানোর কারণ ব্যাখ্যা করে রাজা বলেন, ‘১৫৫ রান যেখানে ভালো স্কোর, সেখানে আমরা ১৭১ করেছি। আটজন ব্যাটার খেলানোর ভাবনা ছিল, যাতে একজন ব্যাটার সেট হয়ে গেলে আরও স্বাধীনভাবে প্রতিপক্ষের ওপর আক্রমণ করতে পারে। তবে একই সঙ্গে দায়িত্বশীলও থাকতে হবে।’
দলের অলরাউন্ডারদের আরও বেশি কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। তার মতে, দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিং দক্ষতাও কাজে লাগানো দরকার।
রাজা বলেন, ‘আমাদের দলে বেশ কয়েকজন ভালো অলরাউন্ডার আছে, কিন্তু আমি মনে করি তাদের যথেষ্ট ব্যবহার করা হয় না। মিল্টন শুম্বা ভালো বাঁহাতি স্পিন করে। সে যদি বল করার সুযোগ না পায়, তাহলে আমরা কীভাবে বুঝব সে কতটা উন্নতি করছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘রায়ান বার্ল, ডিওন মায়ার্স ও ব্রায়ান বেনেট—তারা সবাই টি-টোয়েন্টিতে কয়েক ওভার বল করতে পারে। আজ (গতকাল) বেনেট বল করার সুযোগ পায়নি, কিন্তু প্রয়োজন হলে তাদের কাজে লাগানো যাবে।’
সিরিজে এগিয়ে গেলেও নিজেদের ওপর চাপ তৈরি করে সেই চাপ সামলানো তাদের লক্ষ্য। রাজা আরও বলেন, ‘আমি চাই একটি দল হিসেবে আমরা নিজেদের ওপর চাপ সৃষ্টি করি এবং সেই চাপ সামলে কাজ করতে শিখি। কারণ এতে দলের দায়িত্ববোধ, আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের প্রতি বিশ্বাস আরও বাড়বে।’
এসএইচ/আইএইচ
