আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরও ২-১ ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনালেই দৌড় থেমেছে ইংল্যান্ডের। টানা তৃতীয় ম্যাচে অবিশ্বাস্যভাবে কামব্যাকের গল্প লিখল লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা।
ম্যাচ ছাপিয়ে আলোচনা অন্য একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ম্যাচের এক পর্যায়ে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে বেশ উত্তেজিতভাবে কথা বলতে দেখা যায় ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যামকে। ফুটবলের অন্যতম বড় দুই তারকার এই মাঠের লড়াই নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন তৈরি হলেও, বিষয়টিকে মোটেও বড় করে দেখছেন না রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বেলিংহ্যাম পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, রেফারির একটি ফাউলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিমত হওয়াই ছিল সেই কথোপকথনের মূল কারণ।
— M (@Mlmiiv) July 15, 2026
মেসির সঙ্গে সেই মুহূর্তটি নিয়ে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস-কে বেলিংহ্যাম বলেন, ‘মেসির সঙ্গে কী কথা হচ্ছিল? আসলে আমরা একটা ফাউল নিয়ে আলোচনা করছিলাম। এর বাইরে বিশেষ কিছু নয়। আমি নিশ্চিত সবাই এটাকে বাড়িয়ে বলবে এবং বড় একটা ইস্যু বানানোর চেষ্টা করবে, কিন্তু আসলে সেখানে তেমন কিছুই ঘটেনি।’
উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচে কীভাবে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলো, তার বর্ণনা দিয়ে এই ইংলিশ তারকা বলেন, “আমার মনে হয়েছিল একটু আগে একটা ফাউল হয়েছিল। তখন ও (মেসি) বলল, ‘তাহলে আমার ওপর যে ফাউলটা করা হলো সেটার কী হবে?’ জবাবে আমি বলেছিলাম, ‘তুমি তো এই ধাক্কা সহ্য করার মতোই যথেষ্ট শক্তিশালী!’ ব্যস, এতটুকুই।”
সেমিফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে এমন মুহূর্ত আসাটা খুবই স্বাভাবিক বলে মনে করেন বেলিংহ্যাম। ম্যাচ শেষে মেসির প্রতি নিজের মুগ্ধতা ও সম্মান লুকাতেও ভোলেননি ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।
মেসির প্রশংসা করে বেলিংহ্যাম বলেন, ‘আমি পরাজিত দলে আছি, যা খুবই কষ্টের। তবে ইতিহাসের অন্যতম সেরা একজন ফুটবলারের বিপক্ষে খেলতে পারাটা সবসময়ই সৌভাগ্যের।’
বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করতে না পারাকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন ও হৃদয়বিদারক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন বেলিংহ্যাম। ইংলিশ সমর্থকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি, ‘এটা সত্যিই বুক ভাঙার মতো কষ্ট। আমি ইংল্যান্ডের সেই দলটির অংশ হতে চেয়েছিলাম, যারা অবশেষে ট্রফিটা ঘরে তুলবে।’
এফআই
