World Cup Football Field

বিজ্ঞাপন

বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরের ভেতরেই ট্রেনস্টেশন

বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরের ভেতরেই ট্রেনস্টেশন

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে এক শহর থেকে আরেক শহরে ছুটতে হচ্ছে। সেমিফাইনাল কাভার করতে আটলান্টা শহরে যাওয়া হয়েছিল। কানসাস থেকে আটলান্টা বিমানবন্দরে পা রেখেই দেখা গেল রাজ্যের ব্যস্ততা। বিমানবন্দর থেকে বের হতে ছোট শাটল ট্রেনও ব্যবহার করতে হয়েছে। 

আসার দিন অনেক তাড়া থাকায় বিমানবন্দর সেভাবে দেখা হয়নি। আটলান্টা থেকে নিউইয়র্ক যাওয়ার সময় কিছুটা সময় হাতে ছিল। আটলান্টায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, ‘অনেক বড় বিমানবন্দর, সিকিউরিটি চেক ইনে সময় লাগে।’ দুই ঘণ্টা আগে এসে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এয়ারলাইন্সের গেটে আসতে এক ঘণ্টা লেগেছে। 

বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর হিসেবে স্বীকৃত আটলান্টার হার্টসফিল্ড জ্যাকসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। বিমানবন্দরে কয়েকজনের সাথে আলাপ করে জানা গেল, বছরে ১০০ মিলিয়নের উপর যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করে, দৈনিকের হিসেবে কয়েক লক্ষ। অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে চেক ইন করতেই এক ঘণ্টার মতো সময় লাগায় সেটার খানিকটা আঁচ পাওয়া গেল।

কোকাকোলার হেড অফিস। ছবি: ঢাকা পোস্ট।

সিকিউরিটি চেক ইনের পর গেট নাম্বারের দিকে যাত্রা। সেখানে যেতে আবার নিচে নেমে ট্রেন ধরতে হয়েছে। এ থেকে এফ পর্যন্ত আলাদা টার্মিনাল। সেখানে শাটল ট্রেন যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। আবার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য আলাদা ব্যাগেজ। সেখানেও ট্রেনে যেতে হয়। আসা ও যাওয়া উভয় দিকেই ট্রেন ভর্তি মানুষ। 

আটলান্টা নিউইয়র্ক থেকে হাজার মাইল দূরের শহর। বিশ্বখ্যাত কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান কোকাকোলার হেড অফিস আটলান্টায়। কোকের বিবর্তন নিয়ে জাদুঘরও রয়েছে এখানে। মাত্র তিন রাত থাকায় ও সেমিফাইনালের ব্যস্ততায় অবশ্য সেখানে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। 

শিল্পনগরী বাদেও খেলাধুলার জন্য আটলান্টা আগে থেকে প্রসিদ্ধ। ১৯৯৬ সাল ছিল গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের শতবর্ষপূর্তি। বিশেষ সেই অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই আটলান্টায়। বিশ্বকাপ ফুটবল কাভারের পাশাপাশি অলিম্পিক পার্ক পরিদর্শনের ইচ্ছে থাকলেও অতি সময় স্বল্পতায় সেটাও হয়ে ওঠেনি।

এজেড/আইএইচ