বিজ্ঞাপন

মেসিকে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের হাতছানি

ইউরোপের বাইরে খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা যায়?

ইউরোপের বাইরে খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা যায়?

আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে। চলতি আসরে সর্বোচ্চ গোল ও অ্যাসিস্ট করে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিওনেল মেসি। ২০২২ সালে প্রথমবার শিরোপা জেতার পর পরের বছর ব্যালন ডি’অর জেতেন তিনি। বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলে নবমবার এই পুরস্কার হাতে নিতে যাচ্ছেন মেসি!

আরেকটি ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে ফেভারিটের তালিকায় বড় লাফ দিয়েছেন মেসি। ক্রীড়া বিশ্লেষক ও বুকমেকারদের বিশ্লেষণে এখন সবচেয়ে এগিয়ে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। কিন্তু ব্যালন ডি’অর টুইটার অ্যাকাউন্ট একটি পোস্ট দিয়েছে কৌতূহল উদ্দীপক এক প্রশ্ন করে, ‘ইউরোপের কোনো ক্লাবে না খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা যায়?’ উত্তর হলো হ্যাঁ, অবশ্যই।

২০০৭ সাল থেকে কোনো বিধিনিষেধ নেই

অ্যাওয়ার্ডটির আয়োজকদের ব্যাখ্যা, ‘ফ্রান্স ফুটবলের মাধ্যমে ১৯৫৬ সালে তৈরি ব্যালন ডি’অর আসলে ইউরোপিয়ান লিগে খেলা সেরা ইউরোপিয়ান খেলোয়াড়কে দেওয়া হতো। এই নিয়ম ছিল ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত, যখন ট্রফি বৈশ্বিক হয়ে গেল। যদিও তখনো ইউরোপিয়ান লিগগুলোর খেলোয়াড়দের জন্য এটা সংরক্ষিত ছিল। কিন্তু ২০০৭ সাল থেকে আর কোনো বিধিনিষেধ নেই। ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দেওয়া হয় বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়কে।’

এমনকি ইউরোপিয়ান দলের খেলোয়াড় নয়, এমন ফুটবলার হিসেবে এই পুরস্কার জেতা একমাত্র খেলোয়াড় মেসি। ২০২৩ সালে এই পুরস্কার হাতে নেওয়ার সময় ইন্টার মায়ামিতে ছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যালন ডি’অরের আয়োজকরা একটি ব্যাপার মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০২২ থেকে ব্যালন ডি’অরের বিজয়ী নির্বাচনের জন্য বর্ষপঞ্জিকা নয়, আগস্ট থেকে জুলাইয়ের পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হয়। আর মেসির পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হয়েছিল পিএসজিতে থাকাকালে। আগের বছর বিশ্বকাপ জেতা তারকা ২০২৩ এর গ্রীষ্মে ক্লাবটি ছাড়েন।

এফএইচএম