বিজ্ঞাপন

ফ্রান্স-ইংল্যান্ড ম্যাচে না থেকেও যেভাবে থাকছেন মেসি

ফ্রান্স-ইংল্যান্ড ম্যাচে না থেকেও যেভাবে থাকছেন মেসি

বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াই থেকে ছিটকে পড়ার হতাশা নিয়ে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স। ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচকে দুই দলের কোচই দেখছেন এক ধরনের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত দায়িত্ব’ হিসেবে। তবে মাঠে নামার পর সেই হতাশা ছাপিয়ে ম্যাচটিকে বিশেষ করে তুলতে পারে ব্যক্তিগত অর্জনের লড়াই, বিশেষ করে গোল্ডেন বুটের দৌড়।

বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৩টায় মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। যদিও ফুটবল বিশ্বে এই ম্যাচকে অনেকেই তুলনামূলক কম গুরুত্বের বলে মনে করেন, তবুও এবার ম্যাচটিকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ নিয়ে।

বর্তমানে ৮ গোল করে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে। সমান গোল নিয়ে তার সঙ্গে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, যিনি ফাইনালে আরও একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন। ফলে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমবাপের সামনে সুযোগ থাকছে এককভাবে শীর্ষে উঠে যাওয়ার। অন্যদিকে ৬ গোল করে এখনও দৌড়ে আছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামও। ফলে ব্যক্তিগত অর্জনের এই প্রতিযোগিতা ম্যাচটিকে দিতে পারে ভিন্ন মাত্রা।

ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ হবে কিলিয়ান এমবাপে বনাম ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের দ্বৈরথ। টুর্নামেন্টজুড়ে নিজের গতি ও ফিনিশিং দিয়ে প্রতিপক্ষকে ভোগানো এমবাপেকে থামানো সহজ হবে না। তবে ইংল্যান্ডও ভরসা রাখবে হ্যারি কেইনের অভিজ্ঞতা এবং জুড বেলিংহামের আক্রমণভাগে দেরিতে উঠে আসা দৌড়ের ওপর।

বিশ্বকাপে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের এটি হবে চতুর্থ মুখোমুখি লড়াই। আগের তিন দেখায় দুইবার জিতেছে ইংল্যান্ড এবং একবার ফ্রান্স। ১৯৬৬ ও ১৯৮২ বিশ্বকাপে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা, আর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ২-১ গোলের জয়ে প্রতিশোধ নেয় ফরাসিরা।

এইচজেএস