বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের পর একটি ছবি বেশ ভাইরাল হয়েছে। স্পেনের সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার গাভিকে আছড়ে মাটিতে ফেলে দিচ্ছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। একটি ফুটেজে দেখা গেছে, তার আগে এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেছিলেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। তারপর তাতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচরাও।
এই ঘটনা নিয়ে ফিফা তদন্তে নামছে। ফলাফল আসতে সময় লাগবে। তবে গাভি তার চিন্তাভাবনা জানিয়ে রাখলেন। বোকা মিডফিল্ডারের শাস্তি হওয়া উচিত কি না প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিনি।
বার্সেলোনার এই খেলোয়াড় বললেন, ‘না, সত্যি বলতে, আমি মনে করি না তাদের অতিরিক্ত কোনো নিষেধাজ্ঞা পাওয়া উচিত। আমি বুঝি যে এটি শিশুদের জন্য ভালো কোনো উদাহরণ নাও হতে পারে। তবে আমি মনে করি ফুটবলে এই তীব্র এবং কিছুটা কঠোর অংশটি সত্যিই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
এই ধরনের ঘটনাকে ফুটবলের অংশ মনে করেন গাভি, ‘আমার মতে, সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সমাধান হতে পারে ম্যাচের সময় সরাসরি লাল কার্ড দেখানো, আর ব্যস ওখানেই শেষ। তবে আমি যেমনটা বলেছি, শেষ পর্যন্ত এটি ফুটবলেরই অংশ এবং আমার মনে হয় ফুটবল সবসময়ই এমন ছিল।’
স্লোভেনিয়ান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ শেষ বাঁশি বাজানোর পর স্প্যানিশ দলের খেলোয়াড়রা উদযাপন শুরু করে। বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়রাও সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদযাপন করতে মাঠে ঢুকে যান। বদলি হয়ে মাঠ ছাড়া দলের অধিনায়ক রদ্রি হার্নান্দেজও তাতে যোগ দেন। দৌড়ে তিনি নাহুয়েল মলিনাকে অতিক্রম করার সময় আর্জেন্টাইন রাইটব্যাক তার বুকে ঘুষি মারেন।
রদ্রি দৌড়ানোর সময় মলিনাকে কোনো উস্কানিমূলক কথা বলেছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে ম্যানসিটি মিডফিল্ডার দৌড় থামিয়ে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ডিফেন্ডারকে তিরস্কার করেন। তারপর মুখোমুখি হতেই ধাক্কাধাক্কি করেন দুজনে। দুই দলের আরও কয়েকজন ফুটবলার জড়িয়ে পড়েন তাতে। পারেদেস তো দ্রুত এসে গার্সিয়া ও গাভির ওপর চড়াও হন।
এফএইচএম
