বিজ্ঞাপন

বিশ্বকাপ পরবর্তী সমালোচকদের কড়া বার্তা আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের

বিশ্বকাপ পরবর্তী সমালোচকদের কড়া বার্তা আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্টের

সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপজুড়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিদেশি সমর্থকদের সমালোচনার মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। তার দাবি, যারা আর্জেন্টিনাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, তারা মূলত লিওনেল মেসিদের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত। 

এর কয়েকদিন আগে ইনস্টাগ্রামে একাধিক ছবি পোস্ট করেন মিলেই। সেখানে একটি ছবিতে লেখা ছিল, ‘তোমার যদি শত্রু থাকে, তাহলে বুঝতে হবে তুমি কোনো না কোনো কিছুর পক্ষ নিয়েছ। আমরা আর্জেন্টিনার পক্ষে আছি।’ আরেকটি ছবিতে লেখা ছিল, ‘আর্জেন্টিনার সমস্যা হলো আমরা দারুণভাবে নজর কাড়ি। আমাদের উপেক্ষা করা যায় না। তারা আমাদের হিংসা করে, কারণ আমরা প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভালো।’

সম্প্রতি আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট মিলেই একই ধরনের আরও পোস্ট শেয়ার করেন। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একটি ছবি প্রকাশ করেন, যেখানে তাকে নিজের শার্ট খুলে ভেতরে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সি দেখাতে দেখা যায়। ছবির সঙ্গে ছিল বার্তা, ‘আর্জেন্টিনা দীর্ঘজীবী হোক!’

বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনার প্রতিটি ম্যাচের পরই মিলেই ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। এমনকি বিশ্বকাপ জয়ের পর সমর্থকদের শুভেচ্ছা গ্রহণের জন্য ফুটবলারদের প্রেসিডেন্ট ভবন কাসা রোসাদা ব্যবহারের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন তিনি। বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে ওঠা নানা বিতর্কের পর সামাজিক মাধ্যমে সরব হলেন মিলেই। যেখানে অনেকেই অভিযোগ করেন, রেফারিংয়ে আর্জেন্টিনা বাড়তি সুবিধা পেয়েছে। পাশাপাশি দেশটিকে বর্ণবাদী বলেও সমালোচনা করা হয়।

আর্জেন্টিনার ফুটবল প্রধানের মোবাইল জব্দ-তদন্তের গুঞ্জন, যা বলছে ফেডারেশন

বিতর্ক আরও তীব্র হয়, যখন স্প্যানিশ গায়িকা রোসালিয়া বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আর্জেন্টিনার সমালোচনা করে একটি পোস্ট শেয়ার করেন। পরে তিনি ক্ষমা চাইলেও আর্জেন্টিনায় ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন। ঘৃণা ও বিদ্বেষপূর্ণ অসংখ্য বার্তা পাওয়ার পর কোর্দোবা শহরে তাকে ঘিরে আয়োজিত একটি কনসার্ট বাতিল করা হয়। বৃহস্পতিবার এসব নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে মিলেই–এর মুখপাত্র আদ্রিয়ান রাভিয়ের বলেন, এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কেন্দ্রিক একটি বড় ঘটনা।

তিনি জানান, ‘প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “দেখবেন আর্জেন্টাইনরা দেশটিকে কোথায় নিয়ে যায়।” আমরা এমন একটি অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি, যা দেশের পরিস্থিতি উন্নত করছে এবং এক্ষেত্রে বিশ্বের জন্য উদাহরণ হয়ে উঠছে।’

এএইচএস