বিজ্ঞাপন

‘তিনি মিথ্যা বলেছেন’, আর্জেন্টাইন সহকারী কোচকে একহাত নিলেন ওলমো

‘তিনি মিথ্যা বলেছেন’, আর্জেন্টাইন সহকারী কোচকে একহাত নিলেন ওলমো

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর বিতর্কিত আচরণের জন্য দানি ওলমোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন রবার্তো আয়ালা। আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ দুঃখ প্রকাশ করে যা বলেছেন, তা মিথ্যা দাবি করেছেন স্প্যানিশ তারকা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল। তাতে জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টাইন কোচিং স্টাফরা। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা গেছে, বার্সেলোনা মিডফিল্ডারের ঘাড় ধরে ধাক্কা দেন আয়ালা। বুধবার অবশ্য তিনি ক্ষমা চেয়ে বলেছিলেন, ‘ওলমো কিছু একটা বলেছিলেন, তারই প্রতিক্রিয়া ছিল এটা।’

ওলমো এনিয়ে পাল্টা জবাব দিলেন। কাতালান সংবাদপত্র দিয়ারি দে তেরেসা-কে তিনি বলেন, ‘কোনো একজন বলছেন, তিনি দুঃখিত। কিন্তু তিনি কোনো একটি মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ঘুষি মেরেছেন যুক্তি দিচ্ছেন, এটা নিশ্চয় দুঃখ প্রকাশ করা নয়। কারণ তিনি মিথ্যা বলছেন। আমি তাকে কিছুই বলেছিলাম না। তাই তাকে ক্ষমা চাওয়ার দরকার নেই।’

তিনি আরও বলে গেলেন, ‘ভুল নয়, বিনয়, সততা ও মর্যাদার সঙ্গে তা স্বীকার করার সাহসই আমাদের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে। যখন আমার সন্তান, আমার পরিবার এবং ওই সব ভক্তরা ম্যাচ দেখে, তখন আমাদের লড়াই ও জয়ের ধরন এবং সবকিছুর উপরে আমাদের আচরণ দিয়ে তাদের গর্বিত করতে চাই। কারণ আমাদের খেলোয়াড়দের কাছে ফুটবলের গুরুত্ব সন্তানদের ও নতুন প্রজন্মের জন্য একটি দৃষ্টান্ত। এর সঙ্গে একটি বড় দায়িত্বও চলে আসে।’

গত বুধবার ভ্যালেন্সিয়া ক্যাপিটাল রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষমা চাওয়ার সময় আয়ালা ওলমোকে ঘুষি মারার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি দুঃখিত। আমার অবস্থানের কারণে, আমি কোনো অনুভূতি বা অপর পক্ষের কাছ থেকে পাওয়া কোনো কিছুকে আমার মেজাজ বা কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে দিতে পারি না।’

তিনি আরও বলেছিলেন, ‘আমাদের এখানেই সীমারেখা টানা প্রয়োজন। তারা যেমনটা বলছে, এটা ঘুষি ছিল না। এটা ধাক্কার চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। সে কিছু একটা বলেছিল, এটা তার প্রতিক্রিয়া ছিল। তার সঙ্গে সামনাসামনি দেখা হলে অবশ্যই আমি ক্ষমা চাইব।’

ফাইনালের বাঁশি বাজার পর খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের আচরণের কারণে কঠোর সমালোচিত হয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের খেলোয়াড়দের ওপর যেভাবে চড়াও হয়েছিলেন, তা ছিল দৃষ্টিকটু। ফিফা এই ঘটনা নিয়ে তদন্তে নামছে।

এফএইচএম