একবার সুযোগ পেলেন তো আবার বাদ পড়ে গেলেন। ভারতীয় দলে তারকা ব্যাটার সঞ্জু স্যামসনের গল্পটা ঠিক এমনই। কখনোই সেভাবে স্থায়ী হতে পারেননি উইকেটকিপার এই ব্যাটার।
সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলে সুযোগ পাননি। তার জায়গায় দলে নেওয়া হয় বৈভব সূর্যবংশীকে। দলে জায়গা হারিয়েই কি না কিছুটা ক্ষোভ ঝারলেন। স্রেফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতীয় দলের এই ইঁদুর দৌড়ে তিনি শামিল হতে পারবেন না।
সম্প্রচারকারী চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জু বলেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছি, আমাদের দেশের ক্রিকেটে সবসময় একটা ইঁদুর দৌড় চলে। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই ঠিক করে নিয়েছিলাম, এই ইঁদুর দৌড়ে শামিল হবো না।’
নিজের ভবিষ্যৎ নিজে ঠিক করবেন বলেই জানালেন সঞ্জু। তিনি বলেন, ‘ঈশ্বরের কৃপায় অনেক সাফল্য পেয়েছি। এখন ৩১ বছর বয়স। আর কয়েক বছর বাকি আছে। আমি ঠিক করেছি, নিজের মতো খেলব। কারও কথা শুনে চলব না। কেউ আমাকে শেখাতে পারবে না, কীভাবে ব্যাট করব। সঞ্জুর সিদ্ধান্ত সঞ্জু নিজেই নেবে।’
তবে কি সরাসরি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন সঞ্জু? তিনি তেমনটা ভাবছেন না। সঞ্জুর মতে, সুযোগ পেলে দলের জন্য খেলবেন। কিন্তু সেটাও নিজের মতে। সঞ্জু বলেন, ‘সবাইকে সম্মান করেই বলছি, আমি সুযোগ পেলে খেলব। উপভোগ করব। ভালো সতীর্থ হবো। দলকে সাহায্য করব। কিন্তু সবটাই নিজের মতো করে। আমি তো ভেবেছিলাম ২০২৬ সালের বিশ্বকাপেই সুযোগ পাব না। একটা সময় ১৫ জনের দলেই ছিলাম না। তা হলে ২০২৮ সালের বিশ্বকাপ কী ভাবে খেলব? যদি সুযোগ পাই, তা হলে খেলব। কেউ তো আমার কৃতিত্ব ছিনিয়ে নিতে পারবে না।’
২০২৬ বিশ্বকাপেও শুরুর দিকের ম্যাচে সুযোগ পাননি তিনি। কিন্তু পরে সুযোগ পেয়ে তা কাজে লাগিয়েছেন। ফাইনাল-সহ শেষ তিন ম্যাচে তার ব্যাটেই ভারত জিতেছে। বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন। তারপরও বৈভব সূর্যবংশীকে দলে জায়গা দিতে গিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে তাকে। সেই কারণেই হয়তো অভিমান লুকিয়ে রাখতে পারেননি তিনি।
এফআই
