আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (ওআইসি) কাছে ভারত এক সুবিশাল ও অপার সম্ভাবনাময় বাজার। আর সেই অলিম্পিককে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার কোটি কোটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মূল চাবিকাটি হতে যাচ্ছে ক্রিকেট।
১৯০০ সালের পর প্রথমবারের মতো ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পেকে ফিরছে ক্রিকেট। অলিম্পিক কর্মকর্তাদের মতে, এই অন্তভুক্তির মূল কারণ শুধুই নতুন খেলা যোগ করা নয়, বরং ভারতের বাজারে প্রবেশ করা এবং ক্রিকেটপ্রেমী বিশাল ভক্তশ্রেণীকে যুক্ত করা।
আইওসির হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের ২৫০ কোটিরও বেশি ভক্ত রয়েছে। অলিম্পিক এখন তরুণ ও নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে চাইছে, যেখানে ক্রিকেট এক বিরাট সুযোগ তৈরি করবে।
টেস্ট কিংবা একদিনের ম্যাচ অলিম্পিকের সময়সীমার সঙ্গে মিলছিল না। তবে মাত্র তিন ঘণ্টার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট অলিম্পিকে ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তিকে সহজ ও বাস্তবায়নযোগ্য করে তুলেছে।
২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকে ভারতীয় উপমহাদেশের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি ডলারে। তবে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এই মূল্য কয়েক গুণ বাড়বে বলে আশা করছে আইওসি।
লস অ্যাঞ্জেলেসের পর ২০৩২ অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটপ্রেমী দেশ অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। পাশাপাশি, ভারত নিজেই ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আহমেদাবাদে আয়োজন করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত জানান, বিশ্বজুড়ে ক্রিকেট সমর্থকদের প্রায় ৫০ শতাংশেরই বয়স ৩৫-এর নিচে। অলিম্পিকের ভবিষ্যৎ প্রাসঙ্গিকতা ও জনপ্রিয়তার জন্য তরুণ এই দর্শকগোষ্ঠী এক বিশাল ভূমিকা রাখবে।
এমএমএম/
