ক্রীড়াবিদদের চোটে পড়া অনেকটা স্বাভাবিক বিষয় হলেও বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটারের ইনজুরি প্রবণতা যেন দিনকে দিন উদ্বেগের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। একেকটা সিরিজ শেষ হতে না হতেই ক্রিকেটারদের চোটের মিছিল শুরু হয়ে যাচ্ছে। সবশেষ জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে ইনজুরির কবলে পড়েছেন তিন ক্রিকেটার।
চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বহু আকাঙ্ক্ষিত টেস্ট সিরিজের দলে নেই লিটন দাস ও নাহিদ রানাদের মতো তারকা ক্রিকেটাররা।
বিশেষ করে টাইগার পেসাররা চোটের তালিকার শীর্ষে। তানজিম হাসান সাকিব, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম সবাই লড়ছেন চোটের সঙ্গে। ইনফর্ম ব্যাটার লিটন দাসও কম ভুগছেন না। ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক ইনজুরির কারণে প্রশ্নের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মেডিকেল বিভাগ।
লিটন দাস যখন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ চলাকালীন চোটে পড়েছিলেন, তখন মেডিকেল বিভাগ থেকে বলা হয়েছিল ২১ দিন লাগবে ঠিক হতে। তবে কাফ মাসলে লাগা সেই ব্যথা এখনো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে লিটনকে। এরমধ্যে লিটন আবার খেলার জন্য গিয়েছিলেন জিম্বাবুয়েতেও। ফিট না হয়েও দলে থাকায় প্রশ্নের মুখে পড়ছে মেডিকেল বিভাগ।
বিশেষ করে পেসাররা এই তালিকার শীর্ষে। তানজিম সাকিব, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম সবাই লড়ছেন চোটের সঙ্গে। ইনফর্ম ব্যাটার লিটন দাসও কম ভুগছেন না। ক্রিকেটারদের ধারাবাহিক ইনজুরির কারণে প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিসিবির মেডিকেল বিভাগ।
লিটনের সেই চোট শনাক্তকরণ, চিকিৎসাপ্রক্রিয়া এবং পুনর্বাসন পরিকল্পনা ঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিই এখন আবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছিল যে বিসিবির একজন পরিচালককেও বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে একজন পরিচালক ঢাকা পোস্টকে জানালেন, 'বিষয়টা আসলে এমন না, তবে সবকিছু আবার দেখা হবে যে কি হয়েছিল আসলে।'

কাফ মাসলে ব্যথা না কমায় গেল সপ্তাহে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন লিটন। সেখানে স্ক্যানে ধরা পড়ে চোটের প্রকৃত অবস্থা। গতকাল দেশে ফিরে আজ তাকে মিরপুরেও দেখা গিয়েছে। ঢাকায় স্ক্যান রিপোর্টেও সমস্যা ধরা পড়েছিল লিটনের এমনটি জানালেন বিসিবির একজন কর্মকর্তা।
ঢাকা পোস্টকে সেই কর্মকর্তা বলেন, 'হ্যাঁ ঢাকায় তার সমস্যা ধরা পড়েছিল স্ক্যানে। তবে অনেকটা ভালো হওয়ার পথে ছিল, পরে সিঙ্গাপুরে যখন স্ক্যান করা হলো সেটাতেও সমস্যা ধরা পড়েছিল। প্রত্যেকটা স্ক্যান অল্প অল্প করে ভালো হয়েছে চোটের অবস্থা। মূলত মেডিকেল টিম ভাবছিল গ্রেড অন ইনজুরি যেহেতু, সেহেতু ২১ দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। তো একটু সময় লাগছে। অনেকে তো আগেই ভালো হয়ে যায়, আবার অনেকের একটু সময় লাগে।'
এদিকে, সাইড স্ট্রেইন ইনজুরির জন্য উন্নত চিকিৎসা নিতে আজ রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন নাহিদ রানা। একইসঙ্গে আগেভাগে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে আরেক পেসার তাসকিন আহমেদেরও।
এসএইচ/এফআই
