বিজ্ঞাপন

ইনফান্তিনোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে উয়েফা

ইনফান্তিনোকে ক্ষমতাচ্যুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে উয়েফা

বিশ্বকাপে বিতর্কিত বিনিয়োগ থেকে সরে এসেছে ফিফা। কিন্তু এই সংস্থার প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি আস্থা পুরোপুরি হারিয়েছে ইউরোপিয়ান ফুটবল সংস্থা (উয়েফা)। এই সুইস প্রশাসককে ক্ষমতাচ্যুত করতে উঠেপড়ে লেগেছে তারা। 

বিশ্বকাপে পুরোটা সময় বিতর্কিত ছিলেন ইনফান্তিনো। নানান নিয়ম প্রয়োগ করে, ইরানের সঙ্গে অন্যায় আচরণ, যুক্তরাষ্ট্রের এক ফুটবলারের লাল কার্ড স্থগিতসহ বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। তার এসব সিদ্ধান্তের বিরোধিতা জানিয়ে উয়েফার প্রধান আলেক্সান্দার সেফেরিন ফাইনালের দিন স্টেডিয়ামে ছিলেন না।

এমনিতেই ইনফান্তিনোর ওপর ক্ষোভ ছিল। তা যেন তুষের আগুনের মতো উসকে উঠল ফিফা প্রেসিডেন্টের একটি সিদ্ধান্তে। বিশ্বকাপসহ সব ইভেন্ট বেসকারিকরণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। উয়েফার ৫৫টি জাতীয় অ্যাসোসিয়েশন সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি দেয়। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে কনকাকাফ ও এএফসি। চাপের মুখে পড়ে বিতর্কিত বিনিয়োগের পরিকল্পনা থেকে পিছু হটেছেন ইনফান্তিনো।

কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট নয় উয়েফা। তাদের তোপের মুখে ইনফান্তিনো নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ইউরোপের শীর্ষ ফুটবল সংস্থা তাকে পদত্যাগ করতে কিংবা অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে বলেছেন, যা তাকে অপসারণ করতে যথেষ্ট।

ব্রিটিশ সংবাদপত্র টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ভোট দিতে প্রস্তুত উয়েফার ৫৫ সদস্য। মাত্র ৪৩টি অ্যাসোসিয়েশন সমর্থন দিলেই আনুষ্ঠানিক ভোটের ডাক দিতে পারবে তারা।

উয়েফা ইতোমধ্যে জনসমক্ষে ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে আস্থা হারিয়েছে। ফিফায় বড় ধরনের পরিবর্তন তারা চায়। 

উয়েফার অবস্থানের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইংলিশ এফএ এক বিবৃতি দিয়েছে, ‘আমরা উয়েফার অবস্থানকে পূর্ণ সমর্থন জানাই। ফিফার নেতৃত্ব ও পরিচালন ব্যবস্থার একটি ব্যাপক ও বলিষ্ঠ পর্যালোচনার সময় এসেছে, যাতে বিশ্ব ফুটবল স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয় এবং ২১১টি জাতীয় সংস্থার স্বার্থ রক্ষা করার পাশাপাশি খেলাটির দীর্ঘমেয়াদী ভবিষ্যৎকে সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়।’

এফএইচএম

বিজ্ঞাপন