অবশেষে এই টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানের ব্যাটাররা জ্বলে উঠেছেন এবং দ্বিতীয় টেস্টে আধিপত্য ধরে রাখলেন। বাবর আজম ও আব্দুল্লাহ শফিকের ১৬৮ রানের অপরাজিত জুটি। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৪৪ রানের প্রথম ইনিংস থেকে ৭৮ রানে পিছিয়ে পাকিস্তান।
শফিক তার ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন, ২০২৪ সালের পর প্রথম। আর চার বছরে প্রথম সেঞ্চুরির বেশ কাছে বাবর। আর ১৪ রান দরকার। দ্বিতীয় দিনে ইমাম উল হক (১৪) শামার জোসেফের শিকার হন। টপ অর্ডারের বাকি তিন ব্যাটারই পঞ্চাশের ঘর পার করেছেন।
লাঞ্চ বিরতির পর পাকিস্তান ইনিংস শুরু করে। ৩৪ রানের জুটি ভাঙে ইমামের আউটে। আজান আওয়াইস ফিফটি করে প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে শফিকের সঙ্গে ৬৪ রানের জুটি গড়েন। তিনি ৭১ বলে ১০ চারে ৫৫ রান করেন।
তারপর বাকি সময়ে বাবর ও শফিক ব্যাট হাতে দাপট দেখান। ১৭৩ বলে ১০ চার ও ২ ছয়ে সেঞ্চুরি করেন। ১৮৫ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ৬৭ বলে ৮ চারে হাফ সেঞ্চুরি করা বাবর ৮৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। ২ উইকেটে ২৬৬ রানে দিন শেষ করে পাকিস্তান।
এর আগে ৫ উইকেট হাতে রেখে ২৩৯ রানে দিন শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় স্কোরবোর্ডে ৩০ রান যোগ করে জাস্টিন গ্রিভস ৭৩ রানে থামেন। রোস্টন চেজের সঙ্গে কেমার রোচের ৩৫ রানের জুটি ভাঙতে ব্যাটিং লাইনে ধস নামে। চেজ ১২৬ বলে ৭০ রানে উবাইদ শাহের শিকার। তারপর সাজিদ খান বাকি তিন উইকেট তুলে নেন।
সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন সাজিদ। আলী উসমান, উবাইদ ও মোহাম্মদ আলী দুটি করে উইকেট পান।
এফএইচএম
