বিজ্ঞাপন

কী করলে ভারত জাতীয় দলে ডাক পাবেন শামি, জানালেন আগারকার

কী করলে ভারত জাতীয় দলে ডাক পাবেন শামি, জানালেন আগারকার

২০২৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সর্বশেষ ভারত জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছিলেন মোহাম্মদ শামি। আর টেস্টে তার শেষ উপস্থিতি ছিল ২০২৩ সালে, ওয়ানডেতে শেষবার খেলেছেন গত বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে জাসপ্রিত বুমরাহ’র চোট শামির জন্য সম্ভাবনা হয়ে এলেও, তার আশা এবারও পূরণ হয়নি। 

প্রথমদিকে ফিটনেস সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকলেও গত এক বছরে ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সও জাতীয় দলে ফেরার পথ খুলে দিতে পারেনি শামির। বুমরাহ’র পরিবর্তে প্রথমবার ডাক পেলেন জম্মু-কাশ্মীরের পেসার আকিব নবী। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে নবীর দলে সুযোগ পাওয়ায় অনেকেই খুশি। 

অন্যদিকে, অভিজ্ঞ তারকাকে টপকে নবীকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত শামির বর্তমান অবস্থার কঠিন বাস্তবতাও সামনে এনে দিয়েছে। বিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকারকে শামির সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অভিজ্ঞ এই পেসারের টেস্ট ক্রিকেট খেলার মতো ফিটনেস এখনও নেই। তবে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন গল্প। রঞ্জি ট্রফির সর্বশেষ ৭ ম্যাচে শামি ১৩৮৩ বল করে ১৬.৭২ গড়ে ৩৭টি উইকেট নিয়েছেন। 

ওই সময়ে তিনি ৫০টি মেডেন ওভার এবং তিনবার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার করেছেন। এর মধ্যে ছিল শামির প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং– ৯০ রানে ৮ উইকেট। অন্যদিকে, একই রঞ্জি মৌসুমে আকিব নবী ছিলেন সবচেয়ে সফল বোলার। তিনি ১২.৫৬ গড়ে ৬০ উইকেট নিয়ে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন। সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা পেয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের এই পেসার।

dhakapost
আকিব নবী ও অজিত আগারকার

এ অবস্থায় শামির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। নবীর দলে অন্তর্ভুক্তি শামির উদ্দেশে আগারকারের বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছে। টেস্ট দলে ফিরতে চাইলে অভিজ্ঞ এই পেসারকে আসন্ন দুলীপ ট্রফিসহ ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলোতে উদীয়মান পেসারদের চেয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করতে হবে এবং শতভাগ ফিটনেসও প্রমাণ করতে হবে।

এখন আর অনভিষিক্ত পেসাররা শুধু স্কোয়াড পূরণের জন্য দলে আসছেন না, ঘরোয়া ক্রিকেটে বিপুল উইকেট নেওয়ার সুবাদে তারা সরাসরি একাদশে জায়গার জন্য লড়াই করছেন। ফলে দাপুটে পারফরম্যান্স ছাড়া অভিজ্ঞদের জাতীয় দলে ফেরা আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে গেছে।

এএইচএস