কয়েকদিন আগে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ‘দ্য হান্ড্রেড’-এ পাঁচ উইকেট শিকার করেছিলেন রশিদ খান। এবার তিনি আফগানিস্তান জতীয় দলের জার্সিতেও দুর্দান্ত স্পেল উপহার দিলেন। নিজের করা ৭.৪ ওভারের অর্ধেক বলই (২৩) ডট করেছেন, ৩৪ রানের বিনিময়ে শিকার করেছেন ৬ উইকেট। যাতে ধরাশায়ী হয়ে মাত্র ২০৭ রানেই অলআউট আয়ারল্যান্ড। আফগানরা ওয়ানডে ম্যাচটি জিতেছে ৯২ রানের ব্যবধানে।
ব্রেডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করতে নেমে রহমত শাহ’র দল ২৯৯ রান তোলে। তাদের পক্ষে ইব্রাহিম জাদরান সর্বোচ্চ ৮৪ ও সেদিকউল্লাহ অটল ৪৫ রান করেন। আইরিশদের পক্ষে দুটি করে শিকার ধরেন মার্ক অ্যাডায়ার ও জয় মুন্দ্রা।
আইরিশ-আফগান সিরিজের প্রথম ওয়ানডে বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচও বৃষ্টির বাধায় নেমে আসে ৪৭ ওভারে। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে জাদরানের ৮৪ রানে ভর করে ৮ উইকেটে ২৯৯ রান তুলেছিল আফগানিস্তান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আয়ারল্যান্ডের শুরুটা ভালোই ছিল। ১৪.১ ওভারে ১ উইকেটে ৯৬ রান তোলার পরবর্তী সময়টা কেবলই রশিদের। এরপর ১১১ রান তুলতেই আইরিশরা বাকি ৯ উইকেট হারায়। ৩৩.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় ২০৭ রানে। কেড কারমাইকেল আইরিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন।
প্রতিপক্ষের সর্বশেষ ৭ উইকেটের মধ্যে রশিদই ৪ উইকেট নিয়েছেন। মাত্র ৯ রানের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। রশিদ ৩৪ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা। তার বোলিং ফিগারে একটি বিষয় মনে রাখার মতো– ৭.৪ ওভার বোলিং করেন মানে ৪৬টি বৈধ ডেলিভারি। এর মধ্যে অর্ধেকই (২৩) ডট!
রশিদ এ নিয়ে ওয়ানডেতে ৭ বার ইনিংসে ন্যূনতম ৫ উইকেট শিকার করলেন। ওয়ানডেতে বর্তমান স্পিনারদের মধ্যে আর কেউই তার চেয়ে বেশিবার ইনিংসে ৫ উইকেট নিতে পারেননি। এ ছাড়া ওয়ানডে ইনিংসে রশিদের ৬ উইকেট নেওয়ার কীর্তি এটি তৃতীয়বার। আফগান তারকার সামনে আছেন কেবল পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিস (৬ উইকেট পাঁচবার)। ওয়ানডেতে রশিদের সেরা বোলিং ফিগার ১৮/৭, ২০১৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
এএইচএস
