ইনফোবে-এর তথ্য অনুযায়ী, লিওনেল মেসির বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি গত রাতে রোজারিওর একটি ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর এবং তিনি বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তার এই মৃত্যুর খবরের সত্যতা এখনও মেলেনি। এর আগেও হোর্হেকে নিয়ে বিশ্বকাপ চলাকালে মৃত্যুর খবর শোনা গিয়েছিল। পরে সেটি গুজব হিসেবে প্রমাণিত হয়। এবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় তার মৃত্যুর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
মেসির বাবার মৃত্যুর খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবারও বিতর্জের ঝড় উঠেছে। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম, বিশেষ করে ‘ইনফোবে’ ও ‘রোজারিওথ্রি’ নেটওয়ার্ক আর্জেন্টাইন অধিনায়কের পিতৃবিয়োগের খবর দিয়েছে। কাতালুনিয়া রেডিও আর্জেন্টাইন বিভিন্ন আউটলেটের কাছ থেকে এই চাঞ্চল্যকর খবর পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এনিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এবং বড় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এই খবর নিশ্চিত করেনি।
এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালে লাইভ সম্প্রচারে হোর্হেকে নিয়ে ভুল তথ্য প্রচার করে চাকরি হারান আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপিকা ফ্লোরেনসিয়া পেনা। মেসির বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত না করেই ঘোষণা দেওয়ার পরই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। শেষ পর্যন্ত নিজের চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল তাকে।
ঘটনাটি ঘটে আর্জেন্টিনার একটি টিভি শো চলাকালে। বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচ চলার সময় মাঠে মেসিকে আবেগঘন অবস্থায় দেখা যাওয়ার পর দর্শকদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় লাইভে পেনা দাবি করেন, মেসির বাবা মারা গেছেন এবং এই কারণেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
তবে এই তথ্য দ্রুতই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই মেসি পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হোর্হে জীবিত আছেন। তিনি কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে চিকিৎসাধীন থাকলেও মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভুয়া। ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়।
এফএইচএম
