বিজ্ঞাপন

শাকিরা-পিকের বিখ্যাত বাড়ির মালিক এখন ইয়ামাল

শাকিরা-পিকের বিখ্যাত বাড়ির মালিক এখন ইয়ামাল

খুব অল্প সময়েই ফুটবল আকাশে লামিন ইয়ামালের মতো উজ্জ্বল তারকার আবির্ভাব। ২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার সিনিয়র দলে অভিষেক। স্পেনের হয়ে অভিষেকের কিছুদিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে হন সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা। তারপর তিনটি লিগ শিরোপা, একটি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট তার মাথায়। দেশ ও ক্লাব উভয়ের জন্যই একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। স্বাভাবিকভাবে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেকের কৌতূহল। বিশেষ করে তিনি কোথায় থাকেন, সেটা নিয়ে জানার আগ্রহ প্রচুর রয়েছে।

ইয়ামাল বার্সেলেনা ও স্পেন জাতীয় দলের হয়ে অসাধারণ সাফল্য পাওয়ার আগে মাতারোর রোকাফোন্দার মহল্লায় বেড়ে উঠেছেন। এখন তিনি থাকেন বিলাসবহুল এক বাড়িতে। এই তরুণ ফরোয়ার্ড সিউদাদ ডায়াগোনাল রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সের অন্তর্গত এসপ্লুগেস দে লব্রেগাতের একটি অট্টালিকায় বাস করেন।

১ কোটি ইউরোর বেশি মূল্যের এই সম্পত্তির আগের মালিকানা ছিল শাকিরা ও জেরার্ড পিকের। তাদের দুজনের বিচ্ছেদ হওয়ার পর এটির মালিক এখন ইয়ামাল। স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলার ২০১২ সালে এই বাড়ির নকশা করেন। তিন তলা ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্তরের বাড়িটি ৩৮০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।

Lamine Yamal is reportedly 'buying Gerard Pique and Shakira's £9.5million  mansion' with a stunning pool and a recording studio. The 18-year-old  allegedly earns £325,000-a-week in Catalonia, having established himself as  one of

এই বাড়ির ভেতরে রয়েছে বড় বড় জানালা, একটি ঝর্ণাসহ আউটডোর সুইমিং পুল, একটি ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা রুম, ওয়াইন সেলার, একটি রেকর্ডিং স্টুডিও এবং একটি ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।

শাকিরার রেখে যাওয়া সাজসজ্জার বাড়িটি আগের মতোই সাজিয়ে-গুছিয়ে রেখেছেন ইয়ামাল। তবে ব্যক্তিগত ট্রফি, পুরস্কার ও স্মারকগুলোও জায়গা পেয়েছে তার এই বাড়িতে। অবশ্য নিজের মতো করে কিছু আসবাবপত্র কিনে ঘরগুলো সাজিয়েছেন তিনি।

এই কমপ্লেক্সে চারটি আলাদা বাড়ি আছে। একটি পিকের বাবা-মায়ের, দ্বিতীয়টি শাকিরার বাবা-মায়ের এবং তৃতীয়টি মূল বাড়ি তরুণ বার্সা খেলোয়াড়ের। চতুর্থ বাড়ির সংস্কার কাজ এখনও শেষ হয়নি। তবে এর উঁচু স্থান থেকে বার্সেলোনা ও ভূমধ্যসাগরের মন্ত্রমুগ্ধ দৃশ্য দেখা যায়।

এই বাড়ি কেনার জন্য তিন মাস ধরে আলোচনা চলছিল। ইয়ামালের আইনজীবীরা তার অনুপস্থিতিতে সব প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করেন। এই সম্পত্তিটি একসময় শাকিরা ও পিকেকে নিয়ে অসংখ্য পারিবারিক ও গণমাধ্যমের মুহূর্তের সাক্ষী ছিল। এখন এটি সাফল্য ও স্থিতিশীলতার ওপর ভিত্তি করে এক নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলা একজন ফুটবলারের নতুন আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। ১৮ বছর বয়সেই বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেন ইয়ামাল। আজ তিনি বার্সেলোনার অন্যতম বিখ্যাত বাড়ির মালিক।

এফএইচএম