সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের (এসএএফএফ) সভাপতি নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। ২০২৬-৩০ মেয়াদের নির্বাচনে বদর আল-রুজাইজা প্যানেলকে একমাত্র বৈধ প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিটি। কিন্তু বাদ পড়া প্যানেলগুলো এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে নারাজ।
সৌদি দৈনিক ‘আরিয়াদিয়া’র খবর, খালিদ আল-গামদির নেতৃত্বাধীন প্যানেলসহ অন্তত দুটি প্যানেল আল-রুজাইজার প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্য বাদ পড়া প্যানেলগুলোও তাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে। তাদের অভিযোগ, যে নীতি ও শর্ত দেখিয়ে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, অনুমোদিত প্যানেলের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।
শনিবার প্রার্থিতা যাচাই শেষে বদর আল-রুজাইজা ছাড়া বাকি পাঁচ প্যানেলকে নির্বাচনী দৌড় থেকে বাদ দেয় কমিটি। বাতিল হওয়া প্যানেলগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন খালিদ আল-গামদি, ফাহাদ আল-ঘাফিলি, হাতেম খাইমি, আহমেদ আল-ওয়াদাই ও শাকের আল-ওসাইমি।
প্রয়োজনীয় ক্রীড়া ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ঘাটতি, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণে ব্যর্থতা এবং সাধারণ পরিষদের প্রতিনিধি-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা না মানার অভিযোগে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। তবে আইনি লড়াইয়ে যাচ্ছেন না ফাহাদ আল-ঘাফিলি। প্রায় পাঁচ বছর সৌদি রোশন লিগের একটি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সেই অভিজ্ঞতা সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নথিবদ্ধ ছিল না। কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘কমিটির সিদ্ধান্তের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে।’
গত ২২ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল। মোট সাতটি প্যানেল প্রার্থিতা জমা দিয়েছিল। পরে তুর্কি আল-দাবান নাম প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ২ থেকে ৭ আগস্ট কাগজপত্র ও নিয়মকানুন যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিটি।
এখন বাদ পড়া প্যানেলগুলোর সম্ভাব্য আপিলেই নির্ভর করছে নির্বাচনের পরবর্তী গতিপথ। একদিকে একমাত্র বৈধ প্রার্থী বদর আল-রুজাইজা, অন্যদিকে সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতিতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা। সৌদি ফুটবলের নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন তাই মাঠের বাইরেই পেয়েছে নতুন উত্তাপ।
এইচজেএস
