বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া : প্রথম টেস্টের উইকেট কেমন হবে?

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া : প্রথম টেস্টের উইকেট কেমন হবে?

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ দিয়ে লম্বা সময় পর ডারউইন ও ম্যাকেই’তে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। ডারউইনে টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে ২২ বছর পর। অন্যদিকে ম্যাকেই এই প্রথম পুরুষদের টেস্ট ম্যাচ হতে যাচ্ছে।

ফলে দুই ভেন্যুর জন্যই সিরিজটি বিশেষ গুরুত্বের। দীর্ঘদিন পর খেলা হতে যাওয়ায় পিচ প্রস্তুত করতে কিউরেটরদেরও কঠিন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। 

তবে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ও মাঠের পরিস্থিতি দক্ষিণাঞ্চলের তুলনায় আলাদা হওয়ায় পিচ প্রস্তুতিতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে কিউরেটরদের। এখনো পর্যন্ত টেস্ট ভেন্যুতে অনুশীলন করেনি বাংলাদেশ দল। ১১ এবং ১২ আগস্ট টেস্ট ভেন্যুতে অনুশীলন করবে টাইগাররা। 

তার আগে পর্যন্ত উইকেট সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দিতে পারছে না টিম ম্যানেজমেন্ট। দলের সঙ্গে থাকা শীর্ষ একজন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে জানালেন উইকেট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে একাদশের। উইকেটে ঘাস রয়েছে তবে সেখান থেকে আরও কিছুটা কমতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে লিটন দাসের ম্যাচ খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ম্যাচের আগের দিন। তবে তিনি ভালো আছেন বলেও জানা গিয়েছে।

এদিকে, প্রথম টেস্টের ভেন্যু ডারউইনের মাঠে আগাছা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে অতিরিক্ত হার্বিসাইড ব্যবহার করা যায় না, কারণ তাতে ক্রিকেট উইকেটের প্রয়োজনীয় ঘাসও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ডারউইনের মাঠে আরেকটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ হলো ড্রপ-ইন পিচ। ডারউইন ও ম্যাকেই টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে তাদের তুলনামূলক শীতল ও শুষ্ক মৌসুমে। 

বিদেশি এক গণমাধ্যমকে দুই কিউরেটর জানান, সাদা বলের ক্রিকেটের জন্য ভালো উইকেট তৈরি করা আর পাঁচ দিন ধরে টেস্ট ক্রিকেটের উপযোগী মানসম্পন্ন পিচ তৈরি করা এক নয়। টেস্ট ম্যাচে পিচের আচরণ ও স্থায়িত্বের ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দিতে হয়।

সেই কারণেই বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে ডারউইন ও ম্যাকেইর কিউরেটরদের ওপর রয়েছে বাড়তি চাপ। প্যাভলিচ ও কাজাকফ দুজনই চাপের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের প্রত্যাশা একটাই, আম্পায়াররা প্রথম দিন মাঠে নামার পর যেন সব প্রস্তুতি সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন হয় এবং দর্শকরা উপভোগ করতে পারেন একটি মানসম্পন্ন টেস্ট ম্যাচ।

এসএইচ