এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে বাংলাদেশের দুই ক্লাব ফর্টিজ ও পুলিশের ম্যাচ ছিল। ঢাকায় ফর্টিজ ১-০ গোলে কিরগিজ ক্লাব মুরাস ইউনাইটেডকে হারিয়েছে। ফর্টিজ গ্রুপ পর্ব নিশ্চিত করতে পারলেও এশিয়ান টুর্নামেন্টটিতে অভিষেক ম্যাচেই হেরে গেছে পুলিশ। রাতে একই ব্যবধানে জর্ডানে সিরিয়ার ক্লাব আল ইত্তেহাদের কাছে হেরে ছিটকে গেছে তারা।
সিরিয়া যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ হওয়ায় জর্ডানে ম্যাচটি আয়োজন করেছে। জর্ডানের কিং আব্দুল্লাহ স্টেডিয়ামে সিরিয়ার ক্লাবই প্রাধান্য বিস্তার করেছে। ম্যাচের একমাত্র জয়সূচক গোলটি হয়েছে ৪৫ মিনিটে। কর্নারের পর কয়েকজন সতীর্থের পাসের পর হেডে বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রদ্রিগেস।
পুলিশের ফুটবলাররা গোলের পর তীব্র আপত্তি জানায়। রেফারি ও সহকারী রেফারি এতে পাত্তা দেননি। ভিএআর না থাকায় পুলিশের আবেদনে সিরিয়ার ক্লাবের গোলটি প্রশ্নের মধ্যেই থাকল!
লিড নেওয়ার প্রথম ভালো সুযোগ পেয়েছিল পুলিশ। ১৫ মিনিটে পুলিশের ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড এনগং স্যামের সামনে সুযোগ ছিল গোল করার। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট গোলরক্ষক সহজেই গ্রিপে নেন।
পিছিয়ে পড়ার পর পুলিশ দ্বিতীয়ার্ধে সমতা আনার চেষ্টা করেছে। তবে সেরকম আক্রমণ করতে পারেনি। আল ইত্তেহাদও ব্যবধান দ্বিগুণ করার মতো খেলতে পারেনি।
সত্তরের দশক থেকে ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষ পর্যায়ে খেলছে পুলিশ। মাঝে দীর্ঘদিন বিরতির পর আবার কয়েক বছর ধরে শীর্ষ স্তরে খেলছে। এবারই প্রথম এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের প্রতিযোগিতায় পুলিশ প্রথম খেলল। সাধারণত দেশের ঘরোয়া লিগের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে খেলে। কিন্তু দুই শীর্ষ দল বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকার কারণে টেবিলের তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা ফর্টিজ এবং পুলিশ এফসি ক্লাব লাইসেন্সিং সম্পন্ন করে এশিয়ার মঞ্চে নিজেদের অভিষেক করার সুযোগ পেয়েছে।
এজেড/এফএইচএম
