আগেরবার ম্যানচেস্টার সিটির খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখালেও ক্লাবটির জার্সিতে মাঠে নামা হয়নি জেরোনিমো রুলির। প্রায় এক দশক পর সেই গল্পেরই যেন নতুন অধ্যায় লিখতে ফিরলেন আর্জেন্টাইন এই গোলকিপার। ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক মার্শেই থেকে ৩৪ বছর বয়সী রুলিকে দলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। চুক্তি ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত।
২০১৬ সালে রিয়েল সোসিয়েদাদের হয়ে খেলার সময় রুলিকে কিনেছিল সিটি। কিন্তু তাকে তখন স্প্যানিশ ক্লাবটিতেই ধারে রেখে দেওয়া হয়। ফলে সিটির হয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি তার। পরে তার স্বত্ব আবার রিয়েল সোসিয়েদাদের কাছেই ফিরে যায়। ক্যারিয়ারও এগিয়ে যায় নিজের গতিতে।
রুলির পরিচিতি অবশ্য তৈরি হয়েছিল সোসিয়েদাদেই। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের বড় সময় কেটেছে স্প্যানিশ ক্লাবটিতে। এরপর মন্তপিয়ে ও ভিয়ারিয়াল হয়ে ২০২৩ সালে যোগ দেন আয়াক্সে।
ভিয়ারিয়াল অধ্যায়টিই তার ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয়। ২০২০-২১ মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে ইউরোপা লিগ জেতেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ফাইনাল গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে। সেখানে রুলির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ভিয়ারিয়ালের শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
আয়াক্সের হয়ে ডাচ লিগ জেতার পর ২০২৪ সালের আগস্টে ফ্রান্সে পাড়ি জমান রুলি। যোগ দেন অলিম্পিক মার্শেইয়ে। সেখানেও খুব দ্রুত নিয়মিত একাদশের গোলকিপার হয়ে ওঠেন। দুই মৌসুমে তার পারফরম্যান্স ছিল বেশ ধারাবাহিক। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ মৌসুমে লিগ ওয়ানে ২৯ ম্যাচ খেলেছেন, এর মধ্যে আট ম্যাচে গোলপোস্ট অক্ষত রেখেছেন।
জাতীয় দলেও রুলির ঝুলিতে আছে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সদস্য ছিলেন তিনি, যদিও টুর্নামেন্টে মাঠে নামার সুযোগ হয়নি। চার বছর পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও জায়গা পান আর্জেন্টিনা দলে। সেই আসরে অবশ্য তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শেষ করেছে রানার্সআপ হয়ে।
এইচজেএস
