ঘাসের উইকেটে শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারদের ভোগাচ্ছিলেন পেসার হাসান মাহমুদ। তার করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ট্রাভিস হেড বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলেছিলেন। তবে বল পড়েছে নিরাপদ জায়গায়। দু’দিকেই সুইং করিয়ে হাসান বল করে যাচ্ছিলেন। তারই ফল এলো ১২ ও ১৪তম ওভারে, জ্যাক ওয়েদারল্ডকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ এবং ট্রাভিস হেডকে বোল্ড করে জোড়া আঘাত হানলেন তিনি। ২ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৫২ রান।
হাসানের অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বলে ফাঁদে পড়লেন জ্যাক ওয়েদারল্ড। লিটন কুমার দাস সেটিকে তালুবন্দি করতেই বাংলাদেশ ৪৫ রানে প্রথম সাফল্য পেল। এরপর চাপ এড়াতে স্বভাবসুলভ আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছিলেন হেড। প্রথম দুই ডেলিভারিতে ৬ রান নেওয়ার পর হাসান তৃতীয় বলটি ভেতরের দিকে হালকা সুইং করান। যা অজি তারকার ব্যাট ছুঁয়ে স্টাম্পের বেল উড়িয়ে দেয়।

এর আগে ২৩ বছর পর বাংলাদেশকে টেস্টে আতিথ্য দিতে নেমে ডারউইনে টস জেতে অস্ট্রেলিয়া। শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিক ওপেনারদের দুই প্রান্ত ধরে চ্যালেঞ্জ জানান হাসান ও তাসকিন আহমেদ। দুজনের মধ্যে হাসানই তুলনামূলক বেশি উজ্জ্বল ছিলেন। সুইং আর লাইন-লেংথে কয়েকবারই বিপাকে ফেলেছিলেন হেড-ওয়েদারল্ডকে।
বাংলাদেশ একাদশ : তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ : ট্রাভিস হেড, জ্যাক ওয়েদারল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), ব্যু ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।
এএইচএস
